বাংলা ১ম পত্র • আমাদের নতুন গৌরবগাথা
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
একটি দেশের দীর্ঘদিনের শাসক বছরের পর বছর ভোটে কারচুপি করে ক্ষমতায় থেকেছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা সব ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন, ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বিদেশে পাচার করেন, আর চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয় নিয়মিত। প্রতিবাদ করলেই মানুষকে তুলে নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষ দিনে দিনে অসম্মান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাস করতে থাকে। তবু প্রথম সুযোগেই তারা রাস্তায় নেমে আসে।
- ক)(1)
'গণভবন' কী?
- খ)(2)
"পুরো দেশ এক ধারাবাহিক প্রতারণার মধ্যে নিমজ্জিত হয়"—কেন বলা হয়েছে, ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতির কারণগুলো 'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"সাধারণ মানুষের রাস্তায় নেমে আসার পেছনে ছাত্রদের ডাকের চেয়ে দীর্ঘ দুঃশাসনই বেশি দায়ী ছিল।"—'আমাদের নতুন গৌরবগাথা' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের আলোকে মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর গণভবন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর দীর্ঘ দুঃশাসনে একের পর এক দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পেতে থাকে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস নিত্যচিত্র হয়ে ওঠে এবং সরকারি চাকরির নিয়োগেও অনিয়ম হয়। বিভিন্ন দেশে টাকা পাচারের কাহিনিও প্রকাশ পায়। জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রে প্রতারণা চলতে থাকায় লেখক এ কথা বলেছেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতি প্রবন্ধে উল্লেখিত দীর্ঘ দুঃশাসনের চিত্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সরকার নির্বাচন নিয়ে একের পর এক তামাশা করেছে। সামান্য দাবি ও মতপ্রকাশের কারণে মানুষকে নির্বিচারে নির্যাতন এবং গুম-খুন করা হয়েছে। সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকজনই সব ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেছে। ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান লুট হয়েছে এবং অর্থ পাচার হয়েছে। প্রশ্ন-ফাঁস ও নিয়োগে অনিয়ম ছিল নিত্যঘটনা। উদ্দীপকেও ভোটে কারচুপি, ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, অর্থপাচার, প্রশ্ন ফাঁস ও গুমের কথা আছে। এসবই মানুষকে অসম্মান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর আমি মনে করি, উক্তিটি অনেকাংশে যথার্থ, তবে ছাত্রদের ডাকের ভূমিকাও অস্বীকার করা যায় না। ১. দুঃশাসনের পটভূমি: প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে অন্য মানুষের কোনো অসুবিধা হয়নি, কারণ দীর্ঘ দুঃশাসনের ফলে সে অবস্থা আগেই তৈরি ছিল। উদ্দীপকেও ভোটে কারচুপি, অর্থপাচার, প্রশ্ন ফাঁস ও গুমের কারণে মানুষ অসম্মান ও অনিশ্চয়তায় ছিল। ২. সুযোগের অপেক্ষা: উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মানুষ প্রথম সুযোগেই রাস্তায় নেমে আসে। প্রবন্ধেও আন্দোলনের গতি ত্বরান্বিত হলে প্রথম সুযোগেই মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। ৩. ছাত্রদের নেতৃত্ব: প্রবন্ধে স্পষ্ট বলা আছে, আন্দোলন কোনো দলের নেতৃত্বে হয়নি; মূলত শিক্ষার্থীদের ডাকে সবাই অংশ নিয়েছিল। এই ডাক ক্ষোভকে সংগঠিত রূপ দিয়েছিল। সুতরাং ক্ষোভের মূল কারণ ছিল দুঃশাসন, আর ছাত্রদের ডাক ছিল তা প্রকাশের মাধ্যম।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও