বাংলা ১ম পত্র • একুশের গল্প
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
রফিকুল ইসলাম ছিলেন গ্রামের মেধাবী তরুণ। তাঁর স্বপ্ন ছিল শহরে পড়াশোনা শেষ করে নিজের গ্রামে ফিরে মানুষের সেবা করবেন। আন্দোলনের দিনে তিনি পরিবারের সব নিষেধ উপেক্ষা করে মিছিলে যোগ দেন এবং গুলিতে প্রাণ হারান। তাঁর স্মৃতিতে গ্রামের মানুষ একটি স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তুলেছে। প্রতি বছর সেখানে তরুণরা ফুল দেয় এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়।
- ক)(1)
তপুর স্ত্রীর নাম কী?
- খ)(2)
তপুর খুঁড়িয়ে চলা অনেকের চোখে পড়ত না কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের রফিকুলের স্বপ্ন ও ত্যাগের সঙ্গে ‘একুশের গল্প’-এর তপুর যে মিল রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের স্মৃতিস্তম্ভ ও ‘একুশের গল্প’-এর তপুর কঙ্কাল ফিরে আসা—দুটিই বীরদের অমরত্বের প্রতীক।”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর তপুর স্ত্রীর নাম রেণু।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর তপু জন্ম থেকেই খোঁড়া ছিল। তার বাঁ পা ডান পায়ের চেয়ে প্রায় দুই ইঞ্চি ছোট ছিল। কিন্তু সে বাঁ জুতোর হিল একটু উঁচু করে তৈরি করিয়ে নিত। এর ফলে দূর থেকে তার খুঁড়িয়ে চলা সবার চোখে পড়ত না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের রফিকুলের স্বপ্ন ও ত্যাগের সঙ্গে ‘একুশের গল্প’-এর তপুর স্বপ্নবান মন এবং আত্মত্যাগের মিল রয়েছে। গল্পে তপু ডাক্তারি পাস করে শহর ছেড়ে গ্রামে একটি ছোট ডিসপেনসারি খুলে সাধারণ জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখত। পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করে সে প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে গিয়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রাণ উৎসর্গ করে। উদ্দীপকে রফিকুলও গ্রামে ফিরে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখতেন। তিনিও পরিবারের নিষেধ অগ্রাহ্য করে মিছিলে যোগ দেন এবং গুলিতে শহিদ হন। এভাবে দুজনের স্বপ্ন, সাহস ও আত্মত্যাগ একই সূত্রে বাঁধা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। ‘একুশের গল্প’-এ চার বছর পর হোস্টেলে একটি কঙ্কাল আবিষ্কৃত হয়। মাথার খুলির কপালের ফুটো এবং বাঁ পায়ের টিবিয়া-ফিবুলা দুই ইঞ্চি ছোট দেখে বন্ধুরা বুঝতে পারে সেটি শহিদ তপুর। তপুর এই কঙ্কাল হয়ে ফিরে আসা প্রতীকী। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, জাতীয় ইতিহাসে বীরদের মৃত্যু নেই; তাঁরা বারবার ফিরে এসে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগান। উদ্দীপকে রফিকুল গুলিতে প্রাণ হারালেও গ্রামের মানুষ তাঁর স্মৃতিতে স্মৃতিস্তম্ভ গড়েছে। প্রতি বছর তরুণরা সেখানে ফুল দেয় এবং তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়। অর্থাৎ শারীরিক মৃত্যুর পরও তিনি মানুষের মনে বেঁচে আছেন। দুটি ক্ষেত্রেই শহিদের ত্যাগ ভুলে যাওয়া হয়নি, বরং তা নতুন প্রজন্মের প্রেরণা হয়ে উঠেছে। সুতরাং মন্তব্যটি যুক্তিসংগত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও