ভূগোল এবং পরিবেশ • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
শিক্ষিকা সালমা বেগম নবম শ্রেণিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্জন নিয়ে নিচের ছকটি উপস্থাপন করলেন।
| ফলাফল | সম্ভাব্য অর্জন |
|---|---|
| ক | দারিদ্র্যসীমা শূন্যের কাছাকাছি নামবে; অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার চাহিদা পূরণ হবে |
| খ | নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন হবে; সমাজে নারী নির্যাতন কমবে |
| গ | বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ প্রশমন হবে; নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বাড়বে |
- ক)(1)
কোন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশকে রোল মডেল বলা হয়?
- খ)(2)
গ্রাম ও শহরে বিশুদ্ধ পানি ও সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা ভালোভাবে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরি করে কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
ছকের 'ক' ও 'খ' ফলাফল দুটি অর্জিত হলে বাংলাদেশ কী কী সুবিধা পাবে? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
ছকের তিনটি ফলাফলই অর্জিত হলে বাংলাদেশ সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে— মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশকে রোল মডেল বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর বিশুদ্ধ পানি পান করলে পানিবাহিত রোগ কমে এবং মানুষ সুস্থ থাকে। সুষ্ঠু পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন থাকে ও রোগ ছড়ানোর সুযোগ কমে। ফলে গ্রাম ও শহরের মানুষ স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে পারে। এভাবে ভালোভাবে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরি হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছকের 'ক' ও 'খ' ফলাফল অর্জিত হলে বাংলাদেশ নিম্নলিখিত সুবিধা পাবে। ১. দারিদ্র্য হ্রাস: দারিদ্র্যসীমা শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসবে এবং মানুষের আয় ও জীবনযাত্রার মান বাড়বে। ২. মৌলিক চাহিদা পূরণ: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার চাহিদা পূরণ হবে। ৩. নারীর ক্ষমতায়ন: জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং নারী ও মেয়েরা ক্ষমতায়িত হবে। ৪. নারী নির্যাতন হ্রাস: সমাজের সকল স্তরে নারী নির্যাতন কমবে এবং সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ছকের 'ক' ফলাফল দারিদ্র্য ও মৌলিক চাহিদা, 'খ' জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং 'গ' দুর্যোগ প্রশমন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্দেশ করে। তিনটি অর্জিত হলে বাংলাদেশ সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। ১. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: দারিদ্র্য কমলে ও মৌলিক চাহিদা মিটলে মানুষ সুখে বসবাস করবে এবং আয় ও ভোগে ভারসাম্য আসবে। ২. সামাজিক সমতা: নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর হলে সবাই দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারবে, ফলে উৎপাদন ও সামাজিক শান্তি বাড়বে। ৩. নিরাপত্তা: বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কমলে কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবন-সম্পদ সুরক্ষিত থাকবে। ৪. উৎপাদন বৃদ্ধি: টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৃষি ও শিল্পের উৎপাদন বাড়াবে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। সুতরাং তিনটি ফলাফল একসাথে অর্জিত হলে বাংলাদেশ সত্যিই সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে মর্যাদা পাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও