বাংলা ১ম পত্র • জীবনে শিল্পের স্থান
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
ঢাকার ব্যবসায়ী ফারুক সাহেব পরিবারসহ কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সমুদ্রসৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও সুন্দর সাজসজ্জা দেখে তাঁর বন্ধু রাশেদ মুগ্ধ হন। ঢাকায় ফেরার পথে বাস যখন শহরের প্রবেশমুখে পৌঁছাল, তখন রাস্তার দুপাশে স্তূপ করা আবর্জনা, ভাঙাচোরা ফুটপাত আর নোংরা নালা দেখে রাশেদ বললেন, “আমরা দেশ নিয়ে গর্ব করি ঠিকই, কিন্তু নিজের শহরকে সুন্দর করার চেষ্টা কই?”
- ক)(1)
এস. ওয়াজেদ আলি কত খ্রিষ্টাব্দে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বার অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন?
- খ)(2)
“বক্ষ স্ফীত করে সব সময়ে আমরা বলে থাকি বাংলাদেশের মতো সুন্দর দেশ কোথাও নাই”— লেখক এ কথা বলে কী বুঝিয়েছেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের রাশেদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধের কোন ঘটনার মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধের পরামর্শগুলো কতটা কার্যকর হতে পারে? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর এস. ওয়াজেদ আলি ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বার অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর বাংলাদেশকে নিয়ে আমাদের গর্বের অন্ত নেই। আমরা সবাই মুখে বলি, বাংলাদেশের মতো সুন্দর দেশ আর কোথাও নেই। কিন্তু বাস্তবে গ্রাম ও শহরের অপরিচ্ছন্নতা, কদর্যতা ও সৌন্দর্যবোধের অভাব আমাদের চোখে পড়ে। লেখক এর মাধ্যমে বুঝিয়েছেন, আমাদের এই গর্ব বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না এবং এটি অনেকটাই অন্ধ আত্মগৌরব।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের রাশেদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রবন্ধে বর্ণিত লেখকের তরুণ বন্ধুর শিমুলতলা থেকে ফেরার পথের অভিজ্ঞতার মিল রয়েছে। লেখক শিমুলতলায় গিয়েছিলেন এবং সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশপ্রেমী এক তরুণ বন্ধু। শিমুলতলার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ফেরার পথে ট্রেন বাংলার মাটিতে ঢুকলে সেই বন্ধু বর্ধমান থেকে কলকাতা পর্যন্ত কদর্যতা দেখে মাতৃভূমির সৌন্দর্য সম্পর্কে তাঁর আগের মত বদলে ফেলেন। উদ্দীপকে রাশেদও কক্সবাজারের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন, কিন্তু ঢাকায় ফেরার পথে আবর্জনা আর নোংরা নালা দেখে হতাশ হয়ে প্রশ্ন তোলেন। উভয় ক্ষেত্রেই সুন্দর স্থানের সঙ্গে নিজ দেশের অসুন্দর পরিবেশের তুলনা থেকে ক্ষোভ ও আক্ষেপের জন্ম হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সমস্যা হলো শহরের প্রবেশমুখে আবর্জনা, ভাঙা ফুটপাত ও নোংরা নালার কারণে সৌন্দর্যের অভাব। প্রবন্ধের পরামর্শগুলো এ সমস্যা সমাধানে অনেকাংশে কার্যকর হতে পারে। ১. ব্যক্তিগত উদ্যোগ: লেখক পাঠককে নিজের বাড়ি ও আশপাশের জমি পত্রপুষ্পে সাজাতে বলেছেন। প্রত্যেক নাগরিক নিজের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখলে আবর্জনার স্তূপ কমবে। ২. সমবায়িক প্রচেষ্টা: লেখকের মতে, নাগরিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যাপক ও ঐকান্তিক সমবায়িক প্রচেষ্টা দরকার। সিটি করপোরেশন ও নাগরিকরা মিলে কাজ করলে ফুটপাত ও নালার সংস্কার সম্ভব। ৩. সৌন্দর্যবোধের জাগরণ: প্রবন্ধে সুন্দরের প্রশংসা ও চর্চার কথা বলা হয়েছে। মানুষের মধ্যে সৌন্দর্যবোধ জাগলে তারা আবর্জনা ফেলতে নিরুৎসাহিত হবে। তবে কার্যকর হতে হলে এই পরামর্শের সঙ্গে সরকারি তদারকি ও অবকাঠামো উন্নয়নও প্রয়োজন। সুতরাং প্রবন্ধের পরামর্শ সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর, বিশেষ করে সম্মিলিত উদ্যোগে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও