ভূগোল ১ম পত্র • ব্যবহারিক: মানচিত্র ও স্কেল

ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন

জাহিদ সাহেব একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাজ করেন। তাঁর অফিসে একটি মানচিত্রে গ্রামের প্রতিটি জমির মালিকানার সীমানা, কৃষিভূমি, বসতবাড়ি ও পুকুর আঁকা আছে। তাঁর মেয়ে তুবা স্কুল থেকে একটি বই এনেছে, যাতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তৈরি অনেকগুলো মানচিত্র একসাথে বাঁধাই করা আছে। তুবার ক্লাসঘরের দেয়ালে একটি মানচিত্র টাঙানো আছে, যাতে সারা বিশ্ব দেখানো হয়েছে।

  1. ক)

    এটলাস কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    দেয়াল মানচিত্র বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    জাহিদ সাহেবের অফিসের মানচিত্রটি কোন ধরনের মানচিত্র? এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত তিন ধরনের মানচিত্র ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর একক বা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তৈরি অনেকগুলো মানচিত্র সংবলিত বইকে এটলাস বা মানচিত্রের বই বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সাধারণত শ্রেণিকক্ষে ব্যবহার করার জন্য যে মানচিত্র তৈরি করা হয় তাকে দেয়াল মানচিত্র বলে। এই মানচিত্রে একটি দেশ বা একেকটি মহাদেশকে ছোট স্কেলে আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়। সারা বিশ্বকে অথবা কোনো গোলার্ধকেও এর মাধ্যমে দেখানো হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর জাহিদ সাহেবের অফিসের মানচিত্রটি মৌজা মানচিত্র।
    বৈশিষ্ট্য: যে মানচিত্রে প্রতিটি মৌজার জমি-জায়গা জরিপ করে জমির মালিকানার সীমানা চিহ্নিত করা হয় এবং কৃষিভূমি, বসতবাড়ি, জলাভূমি, পুকুর, হাট-বাজার প্রভৃতির সীমানা অঙ্কন করে দেখানো হয়, তাকে মৌজা মানচিত্র বলে। এটি ক্ষুদ্র এলাকাকে বড় করে দেখানোর জন্য বৃহৎ স্কেলে আঁকা হয়। সাধারণত মৌজা মানচিত্র ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল স্কেলে অঙ্কন করা হয়। উদ্দীপকের মানচিত্রে জমির মালিকানার সীমানা, কৃষিভূমি, বসতবাড়ি ও পুকুর দেখানো হয়েছে, যা মৌজা মানচিত্রের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে তিন ধরনের মানচিত্রের উল্লেখ আছে: মৌজা মানচিত্র, এটলাস এবং দেয়াল মানচিত্র। প্রতিটির উদ্দেশ্য ভিন্ন।
    ১. মৌজা মানচিত্র: এটি বৃহৎ স্কেলে আঁকা হয় বলে জমির মালিকানা নির্ধারণ, সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তি, ভূমি জরিপ ও কর আদায়ে অপরিহার্য। জাহিদ সাহেবের মতো ভূমি কর্মকর্তারা এর ওপর নির্ভর করেন।
    ২. এটলাস: এতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তৈরি অনেক মানচিত্র একসাথে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা একই বইতে দেশ-বিদেশের ভূপ্রকৃতি, রাজনৈতিক সীমানা ও অন্যান্য তথ্য তুলনা করে জানতে পারে।
    ৩. দেয়াল মানচিত্র: এটি ছোট স্কেলে সারা বিশ্ব বা মহাদেশকে একনজরে দেখানোর জন্য শ্রেণিকক্ষে সবাই একসাথে দেখতে পারে, তাই পাঠদানে খুব সহায়ক।
    এভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মানচিত্র ব্যবহার করলে ভূমি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও ভৌগোলিক জ্ঞান অর্জন সহজ হয়। কোনো একটি মানচিত্র দিয়ে এই সব কাজ একসাথে করা সম্ভব নয়, তাই তিনটি মানচিত্রই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও