বাংলা ১ম পত্র • আমাদের সংস্কৃতি

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী তনিমা শীতকালে নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে দেখল, মাটির ঘরের দেয়ালে আলপনা আঁকা, উঠানে ঢেঁকিতে চাল কোটা হচ্ছে এবং সবাই পিঠা-পুলি খাচ্ছে। সন্ধ্যায় গ্রামের মানুষ উঠানে বসে পুঁথিপাঠ ও গান শুনল। তনিমার নানা বললেন, “আমাদের জীবনযাপনের এই সবকিছুই আমাদের সংস্কৃতি।”

  1. ক)

    আনিসুজ্জামান কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

    (1)
  2. খ)

    “সংস্কৃতি বলতে আমরা সাধারণত সাহিত্য শিল্প নৃত্যগীতবাদ্য বুঝে থাকি।”– এ কথার তাৎপর্য কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের বিষয়গুলোকে ‘আমাদের সংস্কৃতি’ প্রবন্ধের আলোকে দুই ভাগে ভাগ করে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “বস্তুগত আর মানস-সংস্কৃতি মিলিয়েই কোনো দেশের বা জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটে ওঠে।”– উদ্দীপকের নানার বক্তব্যের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সাধারণ মানুষ মনে করে সাহিত্য, শিল্প, নাচ, গান ও বাদ্যই সংস্কৃতি। লেখকের মতে এগুলো সংস্কৃতির অপরিহার্য অঙ্গ, কিন্তু এগুলোই সংস্কৃতির সবটা নয়। সংস্কৃতির আরও একটি বড় দিক আছে, যা ঘরবাড়ি, যন্ত্রপাতি, আহারবিহার ও জীবনযাপন প্রণালির সঙ্গে জড়িত। তাই সংস্কৃতিকে কেবল শিল্পচর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ঠিক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘আমাদের সংস্কৃতি’ প্রবন্ধে সংস্কৃতিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে : বস্তুগত সংস্কৃতি ও মানস-সংস্কৃতি।

    ঘরবাড়ি, যন্ত্রপাতি, আহারবিহার ও জীবনযাপন প্রণালি বস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্গত। উদ্দীপকে মাটির ঘর, ঢেঁকিতে চাল কোটা এবং পিঠা-পুলি খাওয়া বস্তুগত সংস্কৃতির উদাহরণ।

    আর সাহিত্য, দর্শন, শিল্প ও সংগীতের মাধ্যমে মানসিক প্রবৃত্তির যে বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তা মানস-সংস্কৃতি। উদ্দীপকে দেয়ালের আলপনা আঁকা এবং পুঁথিপাঠ ও গান শোনা মানস-সংস্কৃতির উদাহরণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি যথার্থ। প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন, কেবল সাহিত্য-সংগীতই সংস্কৃতি নয়; মানুষের জীবনযাপনের বস্তুগত দিকও সংস্কৃতির অংশ।

    ১. বস্তুগত দিক: উদ্দীপকে মাটির ঘর, ঢেঁকিতে চাল কোটা ও পিঠা-পুলি খাওয়ার মধ্য দিয়ে গ্রামীণ বাঙালির জীবনযাপন প্রণালি ও আহারবিহার প্রকাশ পেয়েছে, যা বস্তুগত সংস্কৃতি।

    ২. মানসিক দিক: আলপনা আঁকা, পুঁথিপাঠ ও গান শোনার মধ্য দিয়ে মানুষের রুচি, আবেগ ও সৃজনশীল মনের পরিচয় মেলে, যা মানস-সংস্কৃতি।

    ৩. সম্মিলিত পরিচয়: এর কোনো একটিকে বাদ দিলে গ্রামীণ বাঙালি সংস্কৃতির পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না। উদ্দীপকের নানা তাই এ সবকিছুকেই সংস্কৃতি বলেছেন।

    সুতরাং, বস্তুগত ও মানস-সংস্কৃতি মিলেই জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটে ওঠে, উদ্দীপকে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও