তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন

দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র অনিক অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করেছে এবং ঘরে বসে ফি পরিশোধ করেছে। তার দাদি গ্রামে বসে ভিডিও কলে শহরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়েছেন। অন্যদিকে অনিক দিনরাত অনলাইন গেম খেলে, রাতে ঘুমায় না, ফলে পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছে। তার বাবা-মাও ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সন্তানকে সময় দিতে পারেন না।

  1. ক)

    ৪র্থ শিল্পবিপ্লব (4IR) ধারণাটি কে জনপ্রিয় করেন?

    (1)
  2. খ)

    অভিভাবকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তি পরিবারের জন্য ক্ষতিকর কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে আইসিটির ইতিবাচক প্রভাব কোন কোন ক্ষেত্রে ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    অনিকের পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ ও ফলাফল বিশ্লেষণ করো এবং এ থেকে উত্তরণের উপায় আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস সোয়াব (Klaus Schwab) ২০১৬ সালে ৪র্থ শিল্পবিপ্লব ধারণাটি জনপ্রিয় করেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আসক্তির ফলে অভিভাবকরা কর্মক্ষেত্রে শ্রমঘণ্টা নষ্ট করেন এবং অনৈতিক কাজে সময় কাটান। তাঁরা সন্তানদের সময় দিতে বা তাদের প্রতি যত্নবান হতে পারেন না। এতে স্বাভাবিক পারিবারিক নিয়মাচারে ব্যত্যয় ঘটে এবং সন্তানরাও নৈতিক বিচ্যুতির দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে নানা অনভিপ্রেত ঘটনার জন্ম হয়, তাই এ আসক্তি পরিবারের জন্য ক্ষতিকর।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে আইসিটির ইতিবাচক প্রভাব দুটি ক্ষেত্রে প্রকাশ পেয়েছে।
    ১. শিক্ষাক্ষেত্রে: অনিক অনলাইনে ভর্তির আবেদন ও ফি পরিশোধ করেছে। তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগে ভর্তির আবেদন, ফি প্রদান, রেজিস্ট্রেশন ও ফলাফল প্রকাশের মতো কাজ সহজে, দ্রুত ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করা যায়।
    ২. চিকিৎসাক্ষেত্রে: অনিকের দাদি গ্রামে বসে ভিডিও কলের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়েছেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঘরে বসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে।
    এতে সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় হয়েছে এবং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কারণ: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণহীন ও অবাধ ব্যবহারের ফলে অনিক অনলাইন গেমে এবং তার বাবা-মা মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়েছেন।
    ফলাফল: অনিকের ক্ষেত্রে পড়াশোনায় অমনোযোগ, ঘুমের ব্যাঘাত এবং ভালো-মন্দের তফাত শনাক্ত করতে না পারার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের ক্ষেত্রে সন্তানের প্রতি অযত্ন, পারিবারিক নিয়মাচারে ব্যত্যয় ও সময়ের অপচয় ঘটছে। এতে পরিবারে সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।
    উত্তরণের উপায়: ১. পরিবারের সবাই ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করবে। ২. অভিভাবকরা সন্তানকে সময় দেবেন ও তাদের সাথে খেলাধুলা, আলোচনা ও পারিবারিক কাজে যুক্ত হবেন। ৩. অনিককে গঠনমূলক কাজে যুক্ত করতে হবে, যেমন ই-লার্নিংয়ে পড়াশোনা বা শখের চর্চা। ৪. প্রযুক্তির নৈতিক ও সুষ্ঠু ব্যবহার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
    এভাবে আইসিটির ইতিবাচক সুবিধা ধরে রেখে আসক্তির নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও