বাংলা ১ম পত্র • প্রাণ

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

লেখক নাসির উদ্দিন তরুণ বয়সে অনেক বই লিখেছিলেন। প্রকাশকেরা তখন তাঁর বই ছাপাতে হুড়োহুড়ি করতেন। বয়স বাড়ার পর তাঁর পুরোনো ধাঁচের লেখা পাঠকের আর ভালো লাগে না। বইয়ের দোকানে তাঁর বইগুলো ধুলো জমে পড়ে থাকে। নাসির উদ্দিন দুঃখ না করে নতুন কিছু লেখার চেষ্টা করেন, যাতে পাঠকের কাছে আবার পৌঁছাতে পারেন।

  1. ক)

    ‘অমর আলয়’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

    (1)
  2. খ)

    “তোমরা তুলিবে বলে সকাল বিকাল নব নব সংগীতের কুসুম ফুটাই”—চরণ দুটিতে কবির কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের নাসির উদ্দিনের বইয়ের পরিণতি ‘প্রাণ’ কবিতার কোন চরণের ভাবকে মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “নাসির উদ্দিনের দৃষ্টিভঙ্গি ‘প্রাণ’ কবিতার কবির দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।”—উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘অমর আলয়’ বলতে অমর সৃষ্টিকে বোঝানো হয়েছে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর চরণ দুটিতে কবির সৃষ্টিশীলতা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। কবি মানুষের জন্য প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সংগীত রচনা করেন। এখানে ‘তোমরা’ বলতে পাঠক বা মানুষকে বোঝানো হয়েছে। মানুষ গ্রহণ করবে এই আশায় কবি নিরলস সৃষ্টিতে নিয়োজিত থাকেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের নাসির উদ্দিনের বইয়ের পরিণতি ‘প্রাণ’ কবিতার ‘ফেলে দিয়ো ফুল, যদি সে ফুল শুকায়’ চরণের ভাবকে মনে করিয়ে দেয়। কবিতায় কবি বলেছেন, তাঁর সৃষ্টি ফুলের মতো; তাজা থাকলে মানুষ তা গ্রহণ করবে, শুকিয়ে গেলে ফেলে দেবে। উদ্দীপকে তরুণ বয়সে নাসির উদ্দিনের বই সমাদর পেলেও পরে পাঠক আর তা পছন্দ করে না এবং বই দোকানে ধুলো জমে পড়ে থাকে। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে বই যেন শুকনো ফুলের মতো অনাদৃত হয়েছে। এ কারণে চরণটির ভাবের সঙ্গে উদ্দীপকের মিল রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। ‘প্রাণ’ কবিতার কবি জানেন, মানুষ কেবল তাজা ফুল, অর্থাৎ জীবন্ত ও আবেদনময় সৃষ্টিকেই গ্রহণ করে। তাই তিনি শুকনো ফুল ফেলে দিতে বলেছেন এবং ‘নব নব সংগীতের কুসুম’ ফোটাতে চেয়েছেন। ১. অনাদরকে মেনে নেওয়া: কবি শুকনো ফুলের অনাদর মেনে নিয়েছেন। নাসির উদ্দিনও পাঠকের অনাগ্রহে ক্ষোভ না করে শান্তভাবে তা গ্রহণ করেছেন। ২. নতুন সৃষ্টির প্রয়াস: কবি সকাল-বিকাল নব নব সৃষ্টিতে মগ্ন থাকেন। নাসির উদ্দিনও নতুন ধাঁচে লিখে পাঠকের কাছে ফিরতে চান। ৩. মানুষই বিচারক: দুজনের কাছেই সৃষ্টির মূল্য নির্ধারণ করে মানুষ। তবে কবির লক্ষ্য মানুষের সুখ-দুঃখকে সংগীতে ধরে অমর হওয়া; নাসির উদ্দিনের উদ্দীপকে তা স্পষ্ট নয়। তবু মূল দৃষ্টিভঙ্গিতে দুজনের সঙ্গতি রয়েছে। সুতরাং মন্তব্যটি সঠিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও