ভূগোল এবং পরিবেশ • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

মিতালী শহরের উপকণ্ঠে অপরিকল্পিতভাবে অনেক কারখানা গড়ে উঠেছে। কারখানার ধোঁয়া ও বর্জ্যে বাতাস ও নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। একই এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ও বন দখল করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অথচ পাশের গ্রামের বহু মানুষ আজও দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই।

  1. ক)

    কত সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে?

    (1)
  2. খ)

    সম্পদের অসম বণ্টন টেকসই উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের কোন কোন চ্যালেঞ্জ ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    সম্পদ বৈষম্য ও অপরিকল্পিত শিল্পায়ন—এ দুটির মধ্যে কোনটি মিতালী এলাকার টেকসই উন্নয়নের পথে অধিক বড় বাধা বলে তুমি মনে করো? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সম্পদের অসম বণ্টনের ফলে একদিকে একটি শ্রেণি অপরিমিত সম্পদের মালিক হয়, অন্যদিকে বহু মানুষ দরিদ্র থেকে যায়। ধনী-গরিবের এই ব্যবধান বাড়লে সমাজে বিভেদ ও বিদ্বেষ বাড়ে। এতে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে ওঠে এবং দারিদ্র্য দূর করা কঠিন হয়। তাই সম্পদের অসম বণ্টন টেকসই উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের নিম্নলিখিত চ্যালেঞ্জগুলো ফুটে উঠেছে। ১. অপরিকল্পিত শিল্পায়ন: মিতালী শহরের উপকণ্ঠে পরিকল্পনাহীনভাবে কারখানা গড়ে ওঠায় পরিবেশদূষণ হচ্ছে, যা টেকসই উন্নয়নের বড় চ্যালেঞ্জ। ২. সম্পদ বৈষম্য: প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নদী ও বন দখল করে সম্পদশালী হয়েছেন, ফলে সমাজ ভারসাম্যহীন হচ্ছে ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। ৩. দারিদ্র্য: পাশের গ্রামের মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে আছে। ৪. সমন্বয়হীনতা: প্রশাসন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও অংশীদারিত্বের অভাব উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে সম্পদ বৈষম্য ও অপরিকল্পিত শিল্পায়ন দুটিই আছে। আমার মতে এ এলাকায় সম্পদ বৈষম্য অধিক বড় বাধা। ১. মূল কারণ: নদী ও বন দখল করে সম্পদ গড়ার ফলে একদিকে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে গ্রামের মানুষ দরিদ্র থেকে যাচ্ছে। বৈষম্য কেবল অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যাও তৈরি করছে। ২. বিভেদ বৃদ্ধি: ধনী-গরিবের ব্যবধান যত বাড়ে বিভেদ-বিদ্বেষও তত বাড়ে, যা সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। ৩. দারিদ্র্য দূর না হওয়া: বৈষম্য থাকলে দারিদ্র্য বিলোপের অভীষ্ট অর্জন কঠিন। ৪. শিল্পায়নের সমাধান সম্ভব: অপরিকল্পিত শিল্পায়নের ক্ষতি বর্জ্য শোধনাগার ও পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলে কমানো যায়। কিন্তু সম্পদ বৈষম্য দূর করতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন, যা অনেক জটিল। সুতরাং সম্পদ বৈষম্যই এখানে অধিক বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও