তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন

একটি অনলাইন টিকিট বুকিং ওয়েবসাইটে ঈদের আগের দিন হঠাৎ একসাথে কয়েক হাজার ডিভাইস থেকে ক্রমাগত অনুরোধ আসতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে সাইটটি অত্যন্ত ধীর হয়ে যায় এবং শেষে ক্রাশ করে। প্রকৃত যাত্রীরা টিকিট কিনতে পারেননি। পরে তদন্তে জানা গেল, এসব অনুরোধ আসছিল সংক্রমিত কম্পিউটার থেকে, যা কোনো একজন আক্রমণকারী নিয়ন্ত্রণ করছিল।

  1. ক)

    DDoS-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    DDoS আক্রমণের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ওয়েবসাইটটি কোন ধরনের সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে? ঘটনাটির সাথে সাক্ষাৎকারের উদাহরণের মিল দেখিয়ে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ঘটনায় প্রকৃত ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে এবং কীভাবে এমন আক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে তা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর DDoS-এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস ব্যবহার করে কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণ ট্রাফিকে প্লাবিত করা হয়। এর ফলে সার্ভার ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ করে। এর মূল উদ্দেশ্য সিস্টেমটিকে এমনভাবে অচল করে দেওয়া, যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা সেবাটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ওয়েবসাইটটি ডি ডস (DDoS) আক্রমণের শিকার হয়েছে, কারণ একই সময়ে কয়েক হাজার ডিভাইস থেকে একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বইয়ে বলা হয়েছে, টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় অনেকে একসাথে অনেক প্রশ্ন করলে ব্যক্তিটি কোনোটির উত্তর ঠিকভাবে দিতে পারেন না। একইভাবে এখানে সার্ভারটি একসাথে অসংখ্য অনুরোধ সামলাতে না পেরে ধীর হয়ে ক্রাশ করেছে। ফলে প্রকৃত যাত্রীদের অনুরোধের উত্তর দিতে পারেনি। সুতরাং এটি DDoS আক্রমণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের DDoS আক্রমণে ওয়েবসাইট অচল হয়ে যাওয়ায় একাধিক ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে। ১. ব্যবহারকারীর ওপর প্রভাব: ঈদের আগের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীরা টিকিট কিনতে পারেননি, ফলে তাদের ভোগান্তি ও সময় নষ্ট হয়েছে। ২. প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রভাব: সেবা বন্ধ থাকায় বিক্রি কমে আর্থিক ক্ষতি হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও গ্রাহকের আস্থা নষ্ট হয়। ৩. সুরক্ষার উপায়: (ক) সার্ভারে নিয়মিত ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করে অস্বাভাবিক অনুরোধ শনাক্ত ও আটকানোর ব্যবস্থা রাখা, (খ) ফায়ারওয়াল ও নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করা, (গ) সার্ভারের ক্ষমতা বাড়ানো, (ঘ) নিজেদের কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস ও আপডেটের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখা, যাতে সেগুলো আক্রমণে ব্যবহৃত না হতে পারে। এসব ব্যবস্থা নিলে আক্রমণের ঝুঁকি ও ক্ষতি কমানো সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও