বাংলা ১ম পত্র • ফুলের বিবাহ
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
দশ বছরের তিথি দুপুরে বাগান থেকে বেলি ফুল কুড়িয়ে মালা গাঁথছিল। দাদু জানতে চাইলে সে বলল, “আমার দুটো পুতুলের বিয়ে হচ্ছে, এটা তাদের বিয়ের মালা।” সন্ধ্যায় সেই মালা শুকিয়ে ঝরে গেল। দাদু জানালায় বসে ভাবলেন, জীবনের সব আনন্দও এমনই ক্ষণস্থায়ী।
- ক)(1)
কুসুমলতা কাকে ‘কমলকাকা’ বলে ডেকেছে?
- খ)(2)
“সংসার অনিত্যই বটে”—কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের তিথির সঙ্গে ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের দাদুর ভাবনাই যেন ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার লেখকের শেষ উপলব্ধি।”—মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর কুসুমলতা রচনার কথক কমলাকান্তকে ‘কমলকাকা’ বলে ডেকেছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর কমলাকান্ত স্বপ্নে ফুলের বিয়ে দেখছিলেন। কুসুমলতা ডাকলে তাঁর ঘুম ভাঙে এবং সেই পুষ্পবাসর মিলিয়ে যায়। তখন তিনি ভাবেন, এই আছে এই নেই। ‘সংসার অনিত্যই বটে’ বলতে বোঝানো হয়েছে, পৃথিবীর সব সুখ ও আনন্দ ক্ষণস্থায়ী, সবই একদিন শূন্যে মিলিয়ে যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের তিথির সঙ্গে ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার কুসুমলতার মিল রয়েছে। রচনায় নসী বাবুর নবমবর্ষীয়া কন্যা কুসুমলতা ফুল দিয়ে মালা গেঁথে ফুলের বিয়ে দেয়। কমলাকান্ত যখন বলেন তিনি ফুলের বিয়ে দিচ্ছিলেন, কুসুম বলে, সেও এই ফুলের বিয়ে দিয়েছে, ফুলের মালা গেঁথে। উদ্দীপকে তিথিও ফুল কুড়িয়ে মালা গেঁথে পুতুলের বিয়ের আয়োজন করে। দুজনই শিশু এবং তাদের খেলায় ফুলের মালাই বিয়ের প্রতীক। এ জায়গাতেই দুজনের মিল।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। ‘ফুলের বিবাহ’ রচনায় কমলাকান্ত স্বপ্নে ফুলের বিয়ের পূর্ণ আয়োজন দেখেন। ঘুম ভাঙতেই সবকিছু মিলিয়ে যায়। তখন তিনি উপলব্ধি করেন, ‘সংসার অনিত্যই বটে’, রাজা-প্রজা, পর্বত-সমুদ্র সবই একদিন ধ্বংসপুরে মিশে যাবে। উদ্দীপকে তিথির গাঁথা মালা সন্ধ্যায় শুকিয়ে ঝরে যায়, তা দেখে দাদু ভাবেন জীবনের আনন্দও ক্ষণস্থায়ী। ১. ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য: ফুলের বিয়ে ও ফুলের মালা দুটোই অল্প সময়ে মিলিয়ে যায়। ২. জীবনবোধ: দুই ক্ষেত্রেই ফুলের মাধ্যমে জীবনের অনিত্যতার উপলব্ধি ঘটেছে। সুতরাং উদ্দীপকের দাদুর ভাবনা লেখকের শেষ উপলব্ধিরই প্রতিফলন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও