ভূগোল এবং পরিবেশ • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
একটানা বৃষ্টিতে 'ক' শহরের অনেক রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। নাগরিকরা যত্রতত্র পলিথিন, চিপসের প্যাকেট ও আবর্জনা ফেলায় ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে পানি নামতে পারছে না। দিনমজুর হারুন কাজে যেতে না পেরে আয় হারিয়েছেন। দোকানপাট বন্ধ থাকছে, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে যেতে পারছে না এবং এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
- ক)(1)
টেকসই উন্নয়নের মৌলিক বিবেচ্য ক্ষেত্র কয়টি?
- খ)(2)
এসডিজি বাস্তবায়নে বৈষম্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের সমস্যাটি টেকসই উন্নয়নের তিনটি মৌলিক ক্ষেত্রকে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের সমস্যা মোকাবিলা করে 'ক' শহরকে টেকসই করতে নাগরিক ও সরকারের কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর টেকসই উন্নয়নের মৌলিক বিবেচ্য ক্ষেত্র তিনটি: সমাজ, অর্থনৈতিক বিবেচনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর আয়, ভোগ, জেন্ডার, অঞ্চল ও সম্পদ বৈষম্য থাকলে সমাজে দরিদ্রতা দূর হয় না। বৈষম্য বেশি হলে উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছায় না এবং সমাজে বিভেদ বাড়ে। এতে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও তা টেকসই থাকে না। তাই এসডিজি বাস্তবায়নে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে বর্ণিত জলাবদ্ধতা পরিবেশদূষণ থেকে সৃষ্ট সমস্যা, যা টেকসই উন্নয়নের তিনটি ক্ষেত্রকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ১. পরিবেশ: পলিথিন ও আবর্জনায় ড্রেন বন্ধ হয়ে পানি নির্গমন ব্যাহত হচ্ছে এবং শহরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ২. অর্থনীতি: দিনমজুর হারুনের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের কাজ বন্ধ থাকছে, দোকানপাট বন্ধ থাকছে এবং রাস্তাঘাটের ক্ষতি হচ্ছে। ৩. সমাজ: ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারছে না এবং ডায়রিয়ার মতো রোগব্যাধি ছড়াচ্ছে, ফলে সামাজিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর 'ক' শহরের জলাবদ্ধতা মোকাবিলা ও শহরকে টেকসই করতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। ১. নাগরিক সচেতনতা: নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা, পলিথিন ও প্যাকেট যত্রতত্র না ফেলা। সবার আগে সচেতন হওয়া প্রয়োজন, কারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। ২. অবকাঠামো উন্নয়ন: ড্রেন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো এবং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি জোরদার করা। ৩. দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতা: কাজের অপচয় রোধ, দুর্নীতি দমন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ৪. সমন্বিত কার্যক্রম: সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও অন্যান্য অংশীজনকে সাথে নিয়ে সমন্বিত কর্মসূচি নেওয়া। ৫. কর্মসংস্থান ও সহায়তা: জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুরের জন্য কর্মসংস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা। এসব পদক্ষেপ একযোগে বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শহর বাসযোগ্য ও টেকসই হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও