বাংলা ১ম পত্র • হামদ

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী সামিয়া স্কুলে যাওয়ার আগে প্রতিদিন তার মায়ের সঙ্গে বলে, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।” তারপর বই খোলে। তার দাদা বলেন, “যেকোনো ভালো কাজ আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করলে কাজে বরকত হয়।” আবার তিনি নাতনিকে শেখান, যিনি জীবন দিয়েছেন, তাঁকে কখনো ভুলে থাকতে নেই।

  1. ক)

    ‘করতার’ শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    ‘আপনা প্রচার হেতু সৃজিল জীবন’—এ কথা বলে কবি কী বুঝিয়েছেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সামিয়ার কাজটি ‘হামদ’ কবিতাংশের প্রথম অংশের কোন চরণের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকে ‘হামদ’ কবিতাংশের ভাব আংশিক প্রতিফলিত হয়েছে।”—বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘করতার’ শব্দের অর্থ কর্তা বা প্রভু।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর আলোচ্য চরণে কবি বুঝিয়েছেন, স্রষ্টা নিজের মহিমা ও ক্ষমতা প্রকাশ করার জন্য জীবন সৃষ্টি করেছেন। প্রাণের সৃষ্টি, বিকাশ ও বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে মানুষ স্রষ্টাকে চেনে। জীবের অস্তিত্ব তাই স্রষ্টার পরিচয়ই বহন করে। এভাবে জীবনের মধ্য দিয়ে স্রষ্টা নিজেকে প্রচার করেছেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সামিয়ার কাজটি ‘হামদ’ কবিতাংশের প্রথম চরণ ‘বিছমিল্লা প্রভুর নাম আরম্ভ প্রথম’-এর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। কবি আলাওল পদ্মাবতী কাব্য শুরু করার আগে ‘বিছমিল্লা’ বলে আল্লাহর নাম নিয়ে আরম্ভ করেছেন। এখানে ‘বিছমিল্লা’ অর্থ আল্লাহর নামে শুরু করা, যার পূর্ণ রূপ ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’। উদ্দীপকে সামিয়াও পড়ালেখা শুরু করার আগে একই বাক্য উচ্চারণ করে। দাদার কথা অনুযায়ী ভালো কাজ আল্লাহর নামে শুরু করলে বরকত হয়। কবির মতো সামিয়াও তাই প্রতিটি কাজের শুরুতে স্রষ্টাকে স্মরণ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকে কবিতাংশের কেবল একটি দিকই ফুটে উঠেছে, পুরো ভাব নয়। ১. প্রতিফলিত দিক: উদ্দীপকে কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া এবং জীবনদাতাকে স্মরণ করার শিক্ষা আছে। কবিতাংশেও ‘বিছমিল্লা’ বলে শুরু এবং ‘যেই প্রভু জীবদানে স্থাপিল সংসার’ বলে জীবনদাতার প্রতি প্রণাম রয়েছে। ২. অপ্রতিফলিত দিক—সৃষ্টির বর্ণনা: কবিতাংশে আগুন, বাতাস, জল, মাটি, সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্র, সমুদ্র, বন-তরু, মুক্তা ও ঔষধসহ বিশ্বসৃষ্টির বিশদ বর্ণনা আছে। উদ্দীপকে এর কোনো উল্লেখ নেই। ৩. অপ্রতিফলিত দিক—মানবভাগ্য: কবিতাংশে সুখ-দুঃখ, ধনী-ভিক্ষুক, গুণী-নির্গুণের পার্থক্য এবং জীবন-মরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যের কথা আছে। উদ্দীপকে এ বিষয় নেই। সুতরাং, উদ্দীপকে ‘হামদ’ কবিতাংশের শুরুর স্রষ্টা-স্মরণের ভাবটুকুই প্রতিফলিত হয়েছে, কবিতাংশের সামগ্রিক ভাব নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও