‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

'অ' ও 'ব' দুটি উপজেলা। 'অ' উপজেলায় সরকারি কাজের হিসাব, প্রকল্পের ব্যয় ও সেবার নিয়ম অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। নাগরিকরা সেখানে সহজেই মতামত জানাতে পারেন। অন্যদিকে 'ব' উপজেলায় সব কাজ কাগজে হয়। সেখানে সেবা পেতে মানুষকে বারবার অফিসে যেতে হয় এবং কোন কাজ কে করছে তা অনেক সময় জানা যায় না। সেখানে দালাল ও ঘুষের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়।

  1. ক)

    'সুশাসন' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করে কোন প্রতিষ্ঠান?

    (1)
  2. খ)

    জবাবদিহিতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    'অ' উপজেলায় ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে কীভাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে 'অ' ও 'ব' উপজেলার মধ্যে কোনটি এগিয়ে? ই-গভর্নেন্সের সুবিধার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর 'সুশাসন' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর যখন কোনো ব্যক্তি তার সম্পাদিত কাজ সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত দেন, অর্থাৎ কাজটি কেন ও কীভাবে করেছেন তা ব্যাখ্যা করেন, তাকে জবাবদিহিতা বলে। সুশাসনের অন্যতম প্রধান উপাদান জবাবদিহিতা। এটি নিশ্চিত থাকলে ক্ষমতার অপব্যবহার কমে এবং কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল আচরণ করেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ই-গভর্নেন্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সরকারি কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা। 'অ' উপজেলায় এই স্বচ্ছতা নিম্নভাবে নিশ্চিত হচ্ছে:
    ১. তথ্যের প্রকাশ: সরকারি কাজের হিসাব, প্রকল্পের ব্যয় ও সেবার নিয়ম অনলাইনে প্রকাশিত থাকায় সরকার কী করছে, কীভাবে করছে এবং আর্থিক লেনদেন কীভাবে হচ্ছে, তা জনগণ সহজেই জানতে পারে।
    ২. অনলাইনভিত্তিক সেবা: সেবা অনলাইনে হওয়ায় ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ কমে যায়।
    ৩. জনগণের মতামত: নাগরিকরা সহজে মতামত জানাতে পারায় প্রশাসন লোকচক্ষুর অন্তরালে কাজ করতে পারে না।
    এভাবে ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে 'অ' উপজেলায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সুশাসন বলতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনাকে বোঝায়। ই-গভর্নেন্স সুশাসন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার এবং দুটির সম্পর্ক নিবিড়। এই মানদণ্ডে 'অ' উপজেলা 'ব' উপজেলার চেয়ে এগিয়ে।
    ১. স্বচ্ছতা: 'অ' উপজেলায় কাজের হিসাব ও ব্যয় অনলাইনে প্রকাশিত। কিন্তু 'ব' উপজেলায় কে কী কাজ করছে তা জানা যায় না, ফলে অস্বচ্ছতা রয়েছে।
    ২. জবাবদিহিতা: অনলাইনে সব কাজ নথিবদ্ধ থাকায় 'অ' উপজেলার কর্মকর্তারা কাজের জন্য জবাবদিহি করতে বাধ্য। 'ব' উপজেলায় কাগজে কাজ হওয়ায় তা এড়ানোর সুযোগ বেশি।
    ৩. জনগণের অংশগ্রহণ: 'অ' উপজেলায় নাগরিকরা মতামত জানাতে পারেন, যা শাসনকাজে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে এবং সুশাসনের প্রাণ। 'ব' উপজেলায় এই সুযোগ নেই।
    ৪. দুর্নীতি ও হয়রানি: 'অ' উপজেলায় দীর্ঘসূত্রিতা ও মধ্যস্থতাকারীর সুযোগ কম। কিন্তু 'ব' উপজেলায় দালাল ও ঘুষের অভিযোগ রয়েছে এবং বারবার অফিসে যেতে হওয়ায় সময় ও অর্থের অপচয় হয়।
    সুতরাং, ই-গভর্নেন্সের সুবিধা কাজে লাগানোর কারণে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় 'অ' উপজেলা স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছে। 'ব' উপজেলাকেও সুশাসন নিশ্চিত করতে ই-গভর্নেন্স চালু করতে হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও