ভূগোল ২য় পত্র • বাণিজ্য

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

অর্থনীতির ক্লাসে শিক্ষক বললেন, ২০০৮ সালে 'X' দেশ বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক দেশ ছিল এবং 'Y' দেশ ছিল দ্বিতীয়। ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে 'Y' দেশের রপ্তানি আয় ছিল ১২০১.৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালে দাঁড়ায় ২৪৯৪ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে 'X' দেশ তৃতীয় স্থানে নেমে যায়। 'X' দেশের মোট রপ্তানির ১৬.৯ শতাংশ আসে মোটর গাড়ি থেকে। ছাত্র রাতুল 'X' দেশের পণ্য নিয়ে আরও জানতে চায়।

  1. ক)

    কোন দেশ ইউরোপের প্রথম রপ্তানিকারক দেশ?

    (1)
  2. খ)

    চীন সর্বাধিক দ্রুত বর্ধনশীল প্লাস্টিক সামগ্রী খাতে বিশ্বে প্রথম- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'X' দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে 'Y' দেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা বৃদ্ধি নির্ণয় করে বিশ্ব বাণিজ্যে 'X' ও 'Y' দেশের অবস্থানের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর জার্মানি ইউরোপের প্রথম রপ্তানিকারক দেশ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর প্লাস্টিক সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন খেলনা পণ্য রয়েছে এবং চীনে এ খাতটি সর্বাধিক দ্রুত বর্ধনশীল। চীন ২০১৮ সালে ৮০.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্লাস্টিক সামগ্রী রপ্তানি করে, যা মোট রপ্তানির ৩.২ শতাংশ। বিপুল উৎপাদন ও বিশ্বব্যাপী চাহিদার কারণে প্লাস্টিক সামগ্রী রপ্তানিতে চীন বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'X' দেশটি হলো জার্মানি। এটি ২০১৮ সালে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ, যার মোট রপ্তানি ১৫২৭ বিলিয়ন ডলার। এর প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো হলো- ১. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস: এ খাত থেকে আয় ২৭১.৭ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৭.৫%। ২. পরিবহন যান: মোটর গাড়ি ও যন্ত্রাংশ থেকে আয় ২৬৩.৭ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৬.৯%। এটিই জার্মানির প্রধান রপ্তানি পণ্য। ৩. মেশিনারিজ: এ খাত থেকে আয় ১৬৩.৮ বিলিয়ন ডলার (১০.৫%)। ৪. ফার্মাসিউটিক্যালস: আয় ৯৬.৮ বিলিয়ন ডলার (৬.২%)। ৫. অপটিক্যাল ও মেডিকেল সামগ্রী: আয় ৮০ বিলিয়ন ডলার (৫.১%)। এছাড়া টেক্সটাইল, খাদ্যসামগ্রী, রাসায়নিক পদার্থ, রাবার ও প্লাস্টিক পণ্যও রপ্তানি হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'X' দেশ জার্মানি এবং 'Y' দেশ চীন। 'Y' দেশের রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধি: ২০১৮ সালে আয় ২৪৯৪ বিলিয়ন ডলার এবং ২০০৮-০৯ সালে আয় ১২০১.৮ বিলিয়ন ডলার। অতএব বৃদ্ধি = ২৪৯৪ - ১২০১.৮ = ১২৯২.২ বিলিয়ন ডলার। শতকরা বৃদ্ধি = (১২৯২.২ ÷ ১২০১.৮) × ১০০ ≈ ১০৭.৫%। অর্থাৎ দশ বছরে চীনের রপ্তানি আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অবস্থানের পরিবর্তন: ২০০৮ সালে জার্মানি প্রথম ও চীন দ্বিতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে চীনের রপ্তানি আয় বেড়ে ২৪৯৪ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় চীন প্রথম স্থানে উঠে আসে, আর জার্মানির রপ্তানি ১৫২৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্র (১৬৬৬ বিলিয়ন ডলার) দ্বিতীয় হয়। চীনের এ উত্থানের পেছনে রয়েছে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (মোট রপ্তানির ২৬.৬%), কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশ (১৭.২%), ফার্নিচার ও প্লাস্টিক সামগ্রীসহ বিপুল ও বৈচিত্র্যময় পণ্য রপ্তানি। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাণিজ্যে দ্রুত রপ্তানি বৃদ্ধি করেই চীন জার্মানিকে ছাড়িয়ে গেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও