বাংলা ১ম পত্র • ফুলের বিবাহ
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
নববধূ মিতালি শ্বশুরবাড়িতে এসে লজ্জায় ঘোমটা টেনে এককোণে বসে আছে। আত্মীয়েরা মুখ দেখতে চাইলে সে মাথা নেড়ে অস্বীকার করে। শেষে তার ননদ সাথী মিষ্টি কথায় বুঝিয়ে বলল, “ভাবি, একবার মুখটা দেখাও।” ননদের আদরে মুগ্ধ হয়ে মিতালি ঘোমটা সরিয়ে হাসল।
- ক)(1)
পুরোহিত বর ও কন্যাকে কী দিয়ে গেঁথে গাঁটছড়া বেঁধে দিলেন?
- খ)(2)
“আমার মেয়েগুলি বড়ো লাজুক”—বৃক্ষ কেন এ কথা বলেছিল?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাথীর ভূমিকায় ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার কোন চরিত্রের ভূমিকা প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকের মিতালি ও ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার কলিকা-কন্যার আচরণ হুবহু এক নয়।”—বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর পুরোহিত বর ও কন্যাকে এক সুতায় গেঁথে গাঁটছড়া বেঁধে দিলেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ভ্রমর কন্যাকে দেখতে চেয়ে ঘোমটা খুলতে বললে লজ্জাশীলা কলিকা কিছুতেই ঘোমটা খোলেনি। ঘটক অধীর হয়ে উঠছিলেন। তখন কন্যার না খোলার কারণ বোঝাতে মল্লিকা-বৃক্ষ বলেছিল যে তার মেয়েগুলি বড়ো লাজুক। এভাবে সে ভ্রমরকে অপেক্ষা করতে বলে এবং শান্ত রাখতে চেয়েছিল।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সাথীর ভূমিকায় ‘ফুলের বিবাহ’ রচনার সন্ধ্যাঠাকুরানী-দিদির ভূমিকা প্রকাশ পেয়েছে। রচনায় কলিকা-কন্যা লজ্জায় কিছুতেই ঘোমটা খোলেনি। তখন সন্ধ্যাঠাকুরানী-দিদি এসে ‘লক্ষ্মী আমার, চাঁদ আমার, সোনা আমার’ বলে আদর করে তাকে অনেক বুঝিয়েছিল। শেষে তার স্নিগ্ধ স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে কলিকা মুখ খুলেছিল। উদ্দীপকে সাথীও মিষ্টি কথায় ও আদরে লাজুক ভাবির ঘোমটা সরাতে পেরেছে। দুজনেরই স্নেহময় আচরণ লজ্জা ভাঙাতে সফল হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। দুজনই লজ্জায় ঘোমটা খুলতে চায়নি এবং স্নেহময় ব্যক্তির আদরে ঘোমটা সরিয়েছে, এটাই মিল। কিন্তু কিছু পার্থক্য আছে। ১. প্রতিক্রিয়া: রচনায় কলিকা-কন্যা কতবার ঘাড় নেড়েছে, রাগ করে মুখ ঘুরিয়েছে এবং ‘ঠান্দিদি, তুই যা!’ বলেছে। উদ্দীপকে মিতালি শুধু মাথা নেড়ে অস্বীকার করেছে। ২. কারণ: রচনায় ঘোমটা খোলার ওপর বর আসা না-আসা নির্ভর করছিল, ঘটকের কন্যা দেখার চাপ ছিল। উদ্দীপকে আত্মীয়দের মুখ দেখার কৌতূহল ছিল। ৩. পরিবেশ: রচনার কলিকা ফুলের জগতের কল্পিত চরিত্র, আর মিতালি বাস্তব মানবী নববধূ। সুতরাং মিল থাকলেও দুজনের আচরণ হুবহু এক নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও