বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবিধানিক সংস্থাটি ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছে এবং একটি নতুন এলাকার সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করেছে। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে তিনি আদালতে যাবেন বলে জানান। পাশাপাশি সংস্থাটি ভোটকেন্দ্রের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। বিভিন্ন দল সংস্থাটির নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছে।

  1. ক)

    বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ কত বছর?

    (1)
  2. খ)

    নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে সংস্থাটির যেসব কাজের উল্লেখ আছে তা নির্বাচন কমিশনের কোন কোন ক্ষমতা ও কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    মনোনয়নপত্র বাছাই নিয়ে প্রার্থীর অভিযোগ এবং দলগুলোর সংশয় — পাঠ্যবইয়ের আলোকে কমিশনের গঠন ও ক্ষমতা বিবেচনা করে মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর নির্বাচন কমিশন সংবিধান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। এটি সরকারের নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া নিজ দায়িত্ব পালন করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কমিশনের কাজে কেবল সহায়তা করে। কমিশনাররা অসদাচরণ বা অসামর্থ্য ছাড়া অপসারিত হন না। এজন্য কমিশনকে স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সংস্থাটি হলো নির্বাচন কমিশন। উদ্দীপকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কথা বলা হয়েছে। এটি কমিশনের ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বের সঙ্গে মেলে। নতুন এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা কমিশনের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতার প্রতিফলন, যে বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কমিশনের অন্যতম দায়িত্ব। আবার ভোটকেন্দ্রের কর্মকর্তা নিয়োগ রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর নির্বাচন কমিশন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত। রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ দেন এবং মেয়াদ পাঁচ বছর। এটি একটি সংবিধিবদ্ধ, স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।

    পাঠ্যবই অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাই করার দায়িত্ব কমিশনের এবং এ বিষয়ে বিতর্ক দেখা দিলে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাই পাঠ্যবইয়ের তথ্য অনুযায়ী মনোনয়ন বাছাইয়ের বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। প্রার্থীর অসন্তোষ থাকলে তাঁর উচিত কমিশনের কাছে আবেদন করা।

    দলগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় দূর করতে কমিশনকে সুষ্ঠুভাবে ভোটার তালিকা, সীমানা নির্ধারণ ও কর্মকর্তা নিয়োগের কাজ করতে হবে। কমিশনারদের অপসারণ কেবল অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে হতে পারে, যা তাঁদের স্বাধীনতা রক্ষা করে।

    সুতরাং কমিশন যদি আইন ও সংবিধান অনুযায়ী পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করে, তবে সব দলের আস্থা অর্জন সম্ভব এবং নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও