বাংলা ১ম পত্র • জীবনে শিল্পের স্থান

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী রুমানা প্রতিদিন সকালে নিজেদের বাড়ির উঠান ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে। উঠানের চারপাশে সে গাঁদা, জবা ও বেলিফুলের গাছ লাগিয়েছে। ঘরের জানালায় সে নিজ হাতে সেলাই করা পর্দা টাঙিয়েছে। তার কথাবার্তা ও চালচলনও অত্যন্ত মার্জিত। পাড়ার লোকেরা বলে, রুমানাদের বাড়িতে ঢুকলেই মন ভালো হয়ে যায়।

  1. ক)

    প্রাচীন গ্রিকেরা যুদ্ধে যাওয়ার সময় সর্বাঙ্গ কী দিয়ে ঢেকে নিতেন?

    (1)
  2. খ)

    “যা অসুন্দর, যা কদর্য, যা কুৎসিত, যা কদাকার সে সবকে কোন-না-কোন উপায়ে জীবন থেকে আমাদের তাড়াতে হবে”— লেখক এ কথা বলেছেন কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের রুমানার কাজকর্মে ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “রুমানার কাজকর্ম ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধের মূলবক্তব্যের সবটুকু ধারণ করে না”— মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর প্রাচীন গ্রিকেরা যুদ্ধে যাওয়ার সময় সর্বাঙ্গ লাল কাপড়ে ঢেকে নিতেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর লেখকের মতে সত্য ও শ্রেয়ের মতো সুন্দরও মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য অঙ্গ। অসুন্দর ও কদর্য জিনিস জীবনের আনন্দ ও রুচিকে নষ্ট করে। জীবনকে সুন্দর, মার্জিত ও আনন্দময় করতে হলে ঘরবাড়ি, আসবাব, পোশাক থেকে শুরু করে আচার-আচরণ পর্যন্ত সবকিছুকেই সুন্দর করতে হবে। তাই লেখক জীবন থেকে সব কদর্যতা দূর করার কথা বলেছেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের রুমানার কাজকর্মে ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধের নিজের পরিবেশ ও আচরণকে সুন্দর করে তোলার প্রয়াসের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, আমাদের বাড়ি, বাড়ির প্রাঙ্গণ, সাজ-সরঞ্জাম এবং কথাবার্তা ও আচার-ব্যবহার সবই সুন্দর হওয়া চাই। তিনি পাঠককে বাড়ির উঠান ও আশপাশের জমি পত্রপুষ্পে শোভিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। উদ্দীপকে রুমানা প্রতিদিন উঠান পরিষ্কার রাখে, চারপাশে ফুলের গাছ লাগায়, জানালায় নিজ হাতে সেলাই করা পর্দা টাঙায় এবং মার্জিতভাবে কথা বলে। এসব কাজে প্রবন্ধের সৌন্দর্যচর্চার দিকটিই ফুটে উঠেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। ‘জীবনে শিল্পের স্থান’ প্রবন্ধে লেখক ব্যক্তিগত জীবনের সৌন্দর্যচর্চার সঙ্গে সঙ্গে সমষ্টিগত জীবনের সৌন্দর্যের কথাও বলেছেন। ১. ব্যক্তিগত সৌন্দর্যচর্চা: লেখক বলেছেন, বাড়ি, উঠান, পোশাক ও আচরণ সুন্দর হওয়া চাই। রুমানা উঠান পরিষ্কার রাখা, ফুলের গাছ লাগানো, পর্দা সেলাই ও মার্জিত কথাবার্তার মাধ্যমে এ দিকটি পালন করে। ২. জীবন-শিল্প ও তার সব বিভাগ: লেখকের মতে সবচেয়ে বড় শিল্প জীবন-শিল্প এবং অন্য শিল্পগুলো তার এক একটি বিভাগ। এজন্য কাজকর্ম, নাগরিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। উদ্দীপকে রুমানার প্রচেষ্টা কেবল নিজের বাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের কোনো প্রসঙ্গ নেই। ৩. সমবায়িক প্রচেষ্টা: প্রবন্ধে ব্যাপক ও ঐকান্তিক সমবায়িক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে রুমানার একক উদ্যোগ আছে, কিন্তু সম্মিলিত উদ্যোগের কথা নেই। সুতরাং রুমানার কাজকর্ম প্রবন্ধের একটি অংশমাত্র ধারণ করে, পুরো বক্তব্য নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও