‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

একটি মন্ত্রণালয় তাদের কার্যক্রম আধুনিকায়নের জন্য কয়েকটি ধাপে কাজ করছে। প্রথমে সব দপ্তরে কম্পিউটার সরবরাহ করে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরপর সব কম্পিউটার ক্যাবলের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ মন্ত্রণালয় নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু করে সেখানে সাংগঠনিক কাঠামো, প্রতিবেদন ও প্রকাশনা তুলে ধরেছে। তবে জনগণ এখনো সেখান থেকে ফরম ডাউনলোড করতে বা অনলাইনে মতামত জানাতে পারে না।

  1. ক)

    ই-গভর্নেন্সের স্তর বা ধাপ কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    নেটওয়ার্কিং বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মন্ত্রণালয় ই-গভর্নেন্সের কোন কোন স্তর অতিক্রম করেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী ধাপ কী হওয়া উচিত এবং তা জনগণের জন্য কী কী সুবিধা বয়ে আনবে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ই-গভর্নেন্সের স্তর বা ধাপ চারটি। এগুলো হলো কম্পিউটারায়ন, নেটওয়ার্কিং, অনলাইন উপস্থিতি ও অনলাইন মিথস্ক্রিয়া।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর দুই বা ততোধিক বস্তুকে কোনো কিছুর মাধ্যমে সমন্বয় করাকে নেটওয়ার্কিং বলে। ক্যাবল, মডেম বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে যুক্ত করার প্রক্রিয়াই কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং। এর ফলে নেটওয়ার্কভুক্ত সব কম্পিউটার একটি ব্যবস্থার আওতায় আসে। ই-গভর্নেন্সে দেশের সব কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা অত্যাবশ্যক।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে মন্ত্রণালয় ই-গভর্নেন্সের কম্পিউটারায়ন, নেটওয়ার্কিং ও অনলাইন উপস্থিতি— এই তিনটি স্তর অতিক্রম করেছে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে প্রশাসনকে কম্পিউটার প্রযুক্তির আওতায় এনে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়াকে কম্পিউটারায়ন বলে। মন্ত্রণালয় সব দপ্তরে কম্পিউটার সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে এ স্তর পার করেছে। ক্যাবলের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পর যুক্ত করা নেটওয়ার্কিং স্তরের কাজ। সবশেষে ওয়েবসাইট চালু করে সাংগঠনিক কাঠামো, প্রতিবেদন ও প্রকাশনা তুলে ধরা অনলাইন উপস্থিতি স্তরের বৈশিষ্ট্য।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের মন্ত্রণালয় তিনটি ধাপ অতিক্রম করেছে। জনগণ এখনো ফরম ডাউনলোড বা অনলাইনে মতামত দিতে পারছে না। তাই মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী ধাপ হওয়া উচিত অনলাইন মিথস্ক্রিয়া (Online Interaction)।

    এ স্তরে সরকারের সাথে জনগণ, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠনের অনলাইনে যোগাযোগের পদ্ধতি নির্ধারিত হয়। ডাউনলোডযোগ্য ফরম, নির্দেশনা, আইন ও বিধিবিধান সরবরাহ করে সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগের প্রয়োজন কমিয়ে আনা এর মূল লক্ষ্য।

    জনগণের সুবিধাসমূহ:
    ১. সময় ও অর্থের সাশ্রয়: ফরম ও তথ্যের জন্য অফিসে ধর্না দিতে হবে না।
    ২. তথ্য আদান-প্রদান সহজ: নাগরিক ঘরে বসেই মতামত ও অভিযোগ জানাতে পারবে।
    ৩. হয়রানি ও দুর্নীতি হ্রাস: সরাসরি যোগাযোগ কমলে মধ্যস্থতাকারীর সুযোগ কমে।
    ৪. সরকার ও জনগণের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে।

    সুতরাং এ স্তরে পৌঁছালেই মন্ত্রণালয়ের ই-গভর্নেন্স কার্যক্রম জনমুখী ও পূর্ণাঙ্গ হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও