তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন
নবম শ্রেণির শিক্ষক জনাব হাসান বিজ্ঞান ক্লাসে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছবি, ভিডিও ও শব্দসহ পাঠ উপস্থাপন করেন। এতে শিক্ষার্থীরা সহজে বিষয়টি বুঝতে পারে। তাঁর দুই প্রাক্তন ছাত্রের মধ্যে আরিফ এডোবি ফটোশপ ও প্রিমিয়ারে ছবি ও ভিডিও তৈরি করে। আর তানিয়া ডিরেক্টর সফটওয়্যার ব্যবহার করে আরিফের তৈরি মিডিয়াগুলো মিলিয়ে এমন একটি শিক্ষামূলক অ্যাপ্লিকেশন বানায়, যার সঙ্গে ব্যবহারকারী মিথস্ক্রিয়া করতে পারে।
- ক)(1)
মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার কে?
- খ)(2)
বাংলাদেশে তৈরি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যারে প্রকৃত ইন্টারঅ্যাকটিভিটি নেই বললেই চলে— কথাটি বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
শিক্ষার উপকরণ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের সুবিধাগুলো জনাব হাসানের ক্লাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আরিফ ও তানিয়ার মধ্যে কাকে মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার বলা যায়? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর যিনি টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন, তিনিই মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর বাংলাদেশে বাংলাদেশ-৭১, অবসর, বিশ্বকোষ, নামাজ শিক্ষা ইত্যাদি সিডিতে মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু এসব সফটওয়্যারে লেখা, ছবি ও শব্দ থাকলেও ব্যবহারকারীর কাজের ওপর নির্ভর করে সিস্টেমের সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা প্রায় নেই। অর্থাৎ ব্যবহারকারী মূলত দেখে ও শোনে, নিজে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে না। মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার তৈরি এ দেশে সবে শুরু হয়েছে, তাই প্রকৃত ইন্টারঅ্যাকটিভিটি এখনো গড়ে ওঠেনি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর জনাব হাসান বিজ্ঞান ক্লাসে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ছবি, ভিডিও ও শব্দসহ পাঠ উপস্থাপন করেন, যা শিক্ষার উপকরণ হিসেবে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার। এর সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো। ১. সহজে বোঝা: ছবি, ভিডিও ও শব্দ একসাথে দেখলে ও শুনলে জটিল বৈজ্ঞানিক বিষয়ও শিক্ষার্থী সহজে বুঝতে পারে। ২. সহজ উপস্থাপন: শিক্ষক শিক্ষণীয় বিষয় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে সহজে ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। ৩. মনোযোগ বৃদ্ধি: বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহারের ফলে ক্লাস নীরস না হয়ে আনন্দদায়ক হয়। ৪. সফটওয়্যারের সহায়তা: মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার ও ডিজিটাল প্রকাশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেও শিখতে পারে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের তানিয়াকে মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার বা মাল্টিমিডিয়া অথর বলা যায়। ১. আরিফের কাজ: আরিফ ফটোশপ ও প্রিমিয়ার দিয়ে ছবি ও ভিডিও তৈরি করে। এটি কনটেন্টস ডেভেলপমেন্ট। এডোবি ফটোশপ বা প্রিমিয়ার দিয়ে চমৎকার কনটেন্ট তৈরি করা যায়, কিন্তু এগুলো মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার তৈরির প্রোগ্রাম নয়। তাই আরিফ কনটেন্টস ডেভেলপার। ২. তানিয়ার কাজ: তানিয়া ডিরেক্টরের সাহায্যে আরিফের তৈরি মিডিয়াগুলো মিলিয়ে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে। যিনি বিভিন্ন মিডিয়া ব্যবহার করে ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন, তাঁকেই মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার বলা হয়। ৩. পার্থক্য: কনটেন্টস তৈরি করা ও তাতে ইন্টারঅ্যাকটিভিটি যোগ করার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে। ইন্টারঅ্যাকটিভিটি যোগ করার কাজটি তানিয়া করেছে। সুতরাং তানিয়াই মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার; আরিফ মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও