বাংলা ১ম পত্র • যাব আমি তোমার দেশে

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

সন্ধ্যার আকাশে লালচে আলো ছড়িয়ে পড়েছে। নদীর ঘাটে গ্রামের মেয়েরা কলসে জল ভরছে। ঘাটের এক কোণে কে যেন একটি ফুলের মালা রেখে গেছে। একটি মেয়ে মালাটি কুড়িয়ে নিয়ে অবাক হয়ে চারদিকে তাকায়, কিন্তু কাউকে দেখতে পায় না। একটু পরেই অন্ধকার নেমে এলে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শোনা যায়।

  1. ক)

    ‘উত্তরীয়’ শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    কবি কেন ‘পল্লি-দুলাল’ বলে সম্বোধন করেছেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার কোন অংশের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকের সন্ধ্যার চিত্র ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার শেষাংশের ভাবকে সম্পূর্ণ করে না।”—মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘উত্তরীয়’ শব্দের অর্থ চাদর বা গায়ের কাপড়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর পল্লিগ্রামের অকৃত্রিম প্রাকৃতিক পরিবেশে যে ছেলে বড় হয়েছে, সে যেন পল্লি-মায়ের আদরের সন্তান। তাই কবি তাকে ‘পল্লি-দুলাল’ বলেছেন। এই সম্বোধনে কবির গভীর স্নেহ ও আন্তরিকতা প্রকাশ পেয়েছে। একই সঙ্গে পল্লির প্রতি তাঁর ভালোবাসাও এতে ধরা পড়ে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ঘাটে মালা রেখে যাওয়া ও মেয়েটির তা কুড়িয়ে পাওয়ার ঘটনার সঙ্গে কবিতার ঘাটে ফুলের মালা রেখে আসার অংশের মিল রয়েছে।

    কবিতায় কবি বলেছেন, যে ঘাটে গাঁয়ের পল্লিবালারা কলস ভরবে, সেই ঘাটের এক ধারে তিনি ফুলের মালা রেখে আসবেন। দীঘির জলে ঘট ডোবাতে এসে তারা পথে পাওয়া মালাটি কুড়িয়ে নেবে এবং ভাববে কে এটি রেখে গেছে। উদ্দীপকেও ঘাটের কোণে কেউ মালা রেখে গেছে এবং একটি মেয়ে তা কুড়িয়ে নিয়ে অবাক হয়ে ভাবে কে রেখেছে। দুটি ক্ষেত্রেই অজানা কারও রেখে যাওয়া মালা ও তা কুড়িয়ে পাওয়ার কৌতূহলী মুহূর্তটি এক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকে কবিতার শেষাংশের মূল ঘটনা ও সময়ের চিত্র থাকলেও এর সম্পূর্ণ ভাব সেখানে ফুটে ওঠেনি।

    ১. ঘাট ও মালার চিত্র: কবিতার শেষাংশে ঘাটে পল্লিবালাদের কলস ভরা এবং পথে পাওয়া মালা কুড়িয়ে নেওয়ার চিত্র আছে। উদ্দীপকে একই চিত্র পাওয়া যায়।

    ২. সন্ধ্যা ও আঁধারের আগমন: কবিতায় সাঁঝ-বাগানে ফুল দেখার পর রাতের আঁধার চারদিক ঘিরে ফেলে। উদ্দীপকেও সন্ধ্যার লালচে আলোর পর অন্ধকার নেমে আসে।

    ৩. যা উদ্দীপকে নেই: কবিতায় কবি পল্লি-দুলালের সঙ্গে বসে দীঘির ঢেউ গুনবেন, পদ্ম-পাতার ফুল শুঁকবেন এবং ডাহুক ও ঘুঘুর ডাক শুনবেন। কুহেলীর কালো কারায় দীঘির জল ঘেরা পড়ার রূপকও আছে। উদ্দীপকে বন্ধুর সঙ্গ ও দীঘির এই মায়াময় পরিবেশ নেই, আছে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক।

    ৪. মূল্যায়ন: উদ্দীপকে ঘটনা ও সময়ের ছবি থাকলেও কবির সঙ্গীসহ প্রকৃতিতে ডুবে থাকার আবেগ, দীঘির মায়াময় পরিবেশ ও রূপকময়তা অনুপস্থিত। তাই উদ্দীপক কবিতার শেষাংশের ভাবকে সম্পূর্ণ করে না।

    সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও