বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশের স্বাধীনতা

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন

একটি আলোচনা সভায় শিক্ষক বলেন, ‘২০২৪ সালের আন্দোলনে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়েছিল। রাজপথের আন্দোলনে নারীদের বিপুল অংশগ্রহণও লক্ষ করা যায়। এ আন্দোলনের সময় দেশের দেয়ালে দেয়ালে অসংখ্য গ্রাফিতি আঁকা হয়েছিল। আবার এর আগের শাসনামলে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছিল।’

  1. ক)

    ‘Kleptocracy’ কথাটির বাংলা অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে শিক্ষকের বক্তব্যের প্রথম অংশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষ অংশে উল্লিখিত বিষয়টি দেশের অর্থনীতির ওপর কী প্রভাব ফেলেছিল? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘Kleptocracy’ কথাটির বাংলা অর্থ ‘চোরতন্ত্র’।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি ব্যতিক্রমী দিক হলো দেশব্যাপী দেয়ালে দেয়ালে বিপুল পরিমাণ গ্রাফিতি অঙ্কন। এসব গ্রাফিতিতে বাংলাদেশের মানুষের চিরায়ত অধিকার চেতনা ফুটে উঠেছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানবিক ভাবনা, ইনসাফ, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় সংহতির চেতনাও এতে প্রকাশ পেয়েছে। তাই গ্রাফিতিকে গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের প্রথম অংশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সামাজিক দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
    ১. সকল মত ও পথের শিক্ষার্থীরা গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার দাবিতে অভূতপূর্ব ঐক্যের পরিচয় দেয়।
    ২. শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী ও শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে অংশ নেয়। সরকার সমাজে যে বিভাজন সৃষ্টি করেছিল, এই ঐক্য তা অতিক্রম করে।
    ৩. গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বে ও রাজপথে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। এর ফলে ভবিষ্যতে নারীরা সমাজের নেতৃত্বের মূলধারায় অধিক হারে যুক্ত হবেন বলে আশা করা যায়।
    এই ঐক্য ভবিষ্যতে সমাজের সংহতি আরও মজবুত করবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের শেষ অংশে শেখ হাসিনার শাসনামলে ক্ষুদ্র গোষ্ঠী কর্তৃক সম্পদ পাচারের বিষয়টি উল্লেখ আছে। এটি দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেছিল।
    ১. অভ্যুত্থানের পর গঠিত কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী বিগত ষোল বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে বছরে ষোল বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ফলে দেশের মূলধন বিদেশে চলে গেছে।
    ২. একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ‘চোরতন্ত্র’ কায়েম করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে দেয়।
    ৩. ব্যাংক, বীমা ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
    ৪. বিবিসি, আল জাজিরা ও দি গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনেও এই ক্ষতির প্রমাণ মেলে।
    ফলে জাতীয় জীবনের আর্থিক অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও