বাংলা ১ম পত্র • লাইব্রেরি
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
কুষ্টিয়ার তরুণ লেখক শাহরিয়ার আন্তর্জাতিক বইমেলায় গিয়ে দেখল, বিভিন্ন দেশের প্রকাশকেরা নিজ নিজ ভাষার সাহিত্য সগৌরবে তুলে ধরছেন। কিন্তু বাংলা সাহিত্যের অনূদিত বই প্রায় নেই। সে সংকল্প করল, সে বাংলা ভাষায় লেখা ভালো গল্প-কবিতা অন্য ভাষায় অনুবাদ করবে এবং নিজেও মাতৃভাষায় এমন লিখবে, যা বিশ্বের পাঠককে স্পর্শ করে। তার বিশ্বাস, বাঙালির কথাও বিশ্ববাসীর শোনা উচিত।
- ক)(1)
‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- খ)(2)
“জগতের একতান সংগীতের মধ্যে বঙ্গদেশই কেবল নিস্তব্ধ হইয়া থাকিবে!”—কথাটি বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
শাহরিয়ারের সংকল্পে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের লেখকের কোন আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“শাহরিয়ারের সংকল্প বাস্তবায়িত হলে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের লেখকের স্বপ্নই পূর্ণতা পাবে।”—বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের মাধ্যমে বিশ্বসভায় নিজেদের কথা বলছে। এই সম্মিলিত সুরকে লেখক ‘একতান সংগীত’ বলেছেন। বাঙালির বলার মতো অনেক কিছু থাকা সত্ত্বেও বাংলা সাহিত্য সেই সংগীতে অনুপস্থিত থাকলে তা দুঃখজনক। লেখক বাঙালিকে এই নীরবতা ভেঙে বিশ্বসভায় নিজের কণ্ঠ তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর শাহরিয়ারের সংকল্পে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের লেখকের বাঙালির আপন ভাষায় বিশ্বসভায় আত্মপ্রকাশের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। প্রবন্ধে লেখক প্রশ্ন করেছেন, মানবসমাজকে দেওয়ার মতো কোনো সংবাদ কি বাঙালির নেই? তিনি শেষে বলেছেন, বঙ্গদেশের প্রাণ ভরে উঠেছে, তাকে আপন ভাষায় আপন কথা বলতে দাও। বাঙালির কণ্ঠ মিললে বিশ্বসংগীত মধুরতর হবে। উদ্দীপকে শাহরিয়ার বইমেলায় বাংলা সাহিত্যের অনুপস্থিতি দেখে মাতৃভাষায় লেখা ও অনুবাদের মাধ্যমে বাঙালির কথা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে চায়। তার এই সংকল্প লেখকের আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি যুক্তিসংগত। ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ বাঙালির সামনে এমন এক স্বপ্ন তুলে ধরেছেন, যেখানে বাঙালি বিশ্বসভায় আপন ভাষায় নিজের কথা বলবে। ১. নীরবতা ভাঙা: লেখক আক্ষেপ করেছেন যে বিশ্বের একতান সংগীতে বঙ্গদেশ নিস্তব্ধ। শাহরিয়ার বইমেলায় বাংলা বইয়ের অনুপস্থিতি দেখে এই নীরবতা ভাঙতে চায়। ২. মাতৃভাষার গুরুত্ব: লেখক চেয়েছেন বাঙালি আপন ভাষায় আপন কথা বলুক। শাহরিয়ারও মাতৃভাষায় লিখে বিশ্বপাঠককে স্পর্শ করতে চায়। ৩. তুচ্ছতা পরিহার: লেখক চান না বাঙালি কেবল ক্ষুদ্র বিষয়ে আবদ্ধ থাকুক। শাহরিয়ার অনুবাদের মতো মহৎ কাজে ব্রতী হয়ে সেই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে চায়। ৪. বিশ্বসংগীতের সমৃদ্ধি: লেখকের বিশ্বাস, বাঙালির কণ্ঠ যুক্ত হলে বিশ্বসংগীত মধুরতর হবে। অনূদিত বাংলা সাহিত্য বিশ্বসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করবে। তবে স্বপ্ন পূর্ণতা পেতে হলে শাহরিয়ারের মতো আরও অনেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সুতরাং শাহরিয়ারের সংকল্প সফল হলে লেখকের স্বপ্নের বাস্তব রূপ ফুটে উঠবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও