পদার্থ বিজ্ঞান • তেজস্ক্রিয়তা ও ইলেকট্রনিকস
পদার্থ বিজ্ঞান প্রশ্ন
একজন প্রত্নতত্ত্ববিদ খননকাজে একটি প্রাচীন প্রাণীর জীবাশ্ম পেলেন। জীবিত প্রাণীর দেহে এর যে পরিমাণ থাকে, জীবাশ্মে তার অংশ পাওয়া গেল। পরে অন্য একটি স্থানে আরেকটি জীবাশ্ম পাওয়া গেল, যার বয়স আনুমানিক 1,00,000 বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর অর্ধায়ু 5730 বছর।
- ক)(1)
আইসোটোপ কাকে বলে?
- খ)(2)
প্রাণী মারা যাওয়ার পর তার দেহে এর পরিমাণ কমতে থাকে কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
প্রথম জীবাশ্মটির বয়স কত বছর?
- ঘ)(4)
দ্বিতীয় জীবাশ্মের বয়স নির্ণয়ে পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে তা গাণিতিক বিশ্লেষণ করে মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর একই মৌলের যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর জীবিত অবস্থায় প্রাণী খাদ্যের মাধ্যমে নিয়মিত গ্রহণ করে, তাই দেহে এর পরিমাণ নির্দিষ্ট থাকে। প্রাণী মারা যাওয়ার পর দেহে নতুন করে ঢুকতে পারে না। কিন্তু একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে বিটা বিকিরণ করে ক্ষয় হতে থাকে। ফলে মৃত্যুর পর সময়ের সাথে সাথে দেহে এর পরিমাণ কমতে থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর জীবাশ্মে আছে আদি পরিমাণের অংশ।
ধরি, অর্ধায়ুর সংখ্যা । তাহলে , অর্থাৎ ।
বয়স = অর্ধায়ু = বছর।
অতএব, জীবাশ্মটির বয়স 17190 বছর। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর দ্বিতীয় জীবাশ্মের বয়স বছর এবং বছর।
অর্ধায়ুর সংখ্যা
অবশিষ্ট এর অনুপাত =
অর্থাৎ জীবিত অবস্থার তুলনায় মাত্র প্রায় অবশিষ্ট থাকবে। এই অতি সামান্য পরিমাণ খুব নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা কঠিন, ফলে বয়স নির্ণয়ে বড় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
আবার প্রথম জীবাশ্মে অবশিষ্ট ছিল অংশ, যা সহজে পরিমাপযোগ্য, তাই সেখানে পদ্ধতিটি নির্ভরযোগ্য।
অতএব, মোটামুটি কয়েক হাজার বছর পুরোনো জীবাশ্মের জন্য পদ্ধতি উপযোগী, কিন্তু 1,00,000 বছর পুরোনো জীবাশ্মের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে না; সেজন্য বেশি অর্ধায়ুবিশিষ্ট অন্য তেজস্ক্রিয় মৌল ব্যবহার করতে হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও