গার্হস্থ্য বিজ্ঞান • বয়ন তন্তু

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান প্রশ্ন

তন্তু বিষয়ক একটি কর্মশালায় শিক্ষক দুটি তন্তুর বৈশিষ্ট্য লিখে দিলেন।

তন্তু ‘X’: ব্যাসের তুলনায় এর দৈর্ঘ্য অনেক বেশি, এটি টান সহ্য করতে পারে, সহজে ভাঁজ করা যায় এবং ছোট ছোট আঁশগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে।

তন্তু ‘Y’: এটি টানলে প্রসারিত হয় এবং টান সরালে আগের অবস্থায় ফিরে আসে। ভাঁজ করা বা কুঁচকানোর পরও আগের অবস্থায় ফিরে আসে এবং এর নিজস্ব চাকচিক্য আছে।

  1. ক)

    আসঞ্জনপ্রবণতা কী?

    (1)
  2. খ)

    বয়ন তন্তুর নমনীয়তা থাকা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    তন্তু ‘X’-এ বয়ন তন্তুর কোন কোন মুখ্য গুণাবলি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তন্তু ‘Y’ দিয়ে তৈরি বস্ত্র কুঞ্চন প্রতিরোধী ও দৃষ্টিনন্দন পোশাকের জন্য কতটা উপযোগী? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর যে বৈশিষ্ট্যের কারণে ছোট ছোট আঁশগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে এবং তন্তু থেকে সূতা তৈরি করা যায়, তাকে আসঞ্জনপ্রবণতা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সূতা ও বস্ত্র তৈরির সময় এবং ব্যবহারের সময় তা বারবার ভাঁজ করতে হয়। তন্তু নমনীয় হলে ভেঙে না গিয়ে সহজে ভাঁজ হয়। নমনীয়তার কারণেই তন্তু দিয়ে সূতা পাকানো যায়। নমনীয়তা না থাকলে তন্তু দিয়ে সূতা ও বস্ত্র তৈরি করা সম্ভব হতো না। তাই বয়ন তন্তুর নমনীয়তা প্রয়োজন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর তন্তু ‘X’-এ বয়ন তন্তুর চারটি মুখ্য গুণ প্রকাশ পেয়েছে। ১. দৈর্ঘ্য প্রস্থের অনুপাত: ব্যাসের চেয়ে দৈর্ঘ্য অনেক বড় হওয়া এই গুণ। ২. তন্তুর অন্তর্নিহিত শক্তি: টান সহ্য করার ক্ষমতাই তন্তুর শক্তি। ৩. নমনীয়তা: সহজে ভাঁজ করা যায়, তাই তন্তুটি নমনীয়। ৪. আসঞ্জনপ্রবণতা: আঁশগুলো একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে, ফলে সূতা তৈরি সম্ভব হয়। এই চারটি গুণ থাকায় তন্তু ‘X’ বয়ন তন্তু হিসেবে উপযুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর তন্তু ‘Y’-এর বৈশিষ্ট্যগুলো বয়ন তন্তুর গৌণ গুণ। এগুলো বিশ্লেষণ করলে এর উপযোগিতা বোঝা যায়। ১. রেসিলিয়েন্সি: তন্তুটি ভাঁজ বা কুঁচকানোর পর আগের অবস্থায় ফিরে আসে। এই গুণের কারণে বস্ত্রে সহজে কুঞ্চন পড়ে না, তাই পোশাক পরিপাটি থাকে। ২. স্থিতিস্থাপকতা: টানলে প্রসারিত হয়ে টান সরালে আগের অবস্থায় ফিরে আসে। যেসব বস্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা ভালো, তাদের রেসিলিয়েন্সিও ভালো হয়, ফলে কুঞ্চন প্রতিরোধের গুণ আরও বাড়ে। ৩. উজ্জ্বলতা: নিজস্ব চাকচিক্যের কারণে বস্ত্র দেখতে মসৃণ, দীপ্তিময় ও আকর্ষণীয় হয়, যা পোশাককে দৃষ্টিনন্দন করে। ৪. সীমাবদ্ধতা: তবে এই গৌণ গুণগুলোর পাশাপাশি তন্তুর শক্তি, নমনীয়তা ও আসঞ্জনপ্রবণতার মতো মুখ্য গুণ থাকা আবশ্যক, নতুবা সূতা ও বস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়। সুতরাং মুখ্য গুণ থাকলে তন্তু ‘Y’ কুঞ্চন প্রতিরোধী ও দৃষ্টিনন্দন পোশাকের জন্য বেশ উপযোগী।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও