তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • আমার লেখালেখি ও হিসাব
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন
দশম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া ‘জলবায়ু পরিবর্তন’ বিষয়ে ৩০ পৃষ্ঠার একটি প্রজেক্ট ওয়ার্ড প্রসেসরে তৈরি করেছে। প্রিন্ট করার পর দেখা গেল লেখা কাগজের কিনারা ঘেঁষে ছাপা হয়েছে, লাইনগুলো খুব গায়ে গায়ে লাগানো এবং কোনো পৃষ্ঠায় নম্বর নেই। এতে শিক্ষক প্রজেক্টের পৃষ্ঠাগুলো ক্রম অনুযায়ী সাজাতে পারছেন না।
- ক)(1)
মার্জিন কাকে বলে?
- খ)(2)
ডকুমেন্টে পৃষ্ঠার নম্বর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে সাদিয়ার প্রজেক্টের প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
সাদিয়ার প্রজেক্টটি পাঠযোগ্য ও গোছানো করতে পেইজ লেআউট ও ইনসার্ট ট্যাবের কোন কোন সুবিধা কীভাবে কাজে লাগানো উচিত? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ডকুমেন্টের পৃষ্ঠার চারদিকে, অর্থাৎ ওপর, নিচ, বাম ও ডান দিকে লেখার জন্য যে ফাঁকা জায়গা রাখা হয়, তাকে মার্জিন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রতিটি পৃষ্ঠায় নম্বর দেওয়া। পৃষ্ঠায় নম্বর থাকলে পৃষ্ঠাগুলো ক্রম অনুযায়ী সাজানো সহজ হয়। প্রিন্ট করার পর পৃষ্ঠা এলোমেলো হয়ে গেলে নম্বর দেখে সহজেই আবার ঠিক করা যায়। এছাড়া সূচিপত্রে কোনো অংশের অবস্থান উল্লেখ করতেও পৃষ্ঠার নম্বর প্রয়োজন হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর সাদিয়ার প্রজেক্টের প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে নম্বর দিতে হলে ওয়ার্ড ২০০৭-এ নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। ১. রিবনের ইনসার্ট ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। ২. ইনসার্ট ট্যাবের হেডার ও ফুটার গ্রুপে পেইজ নাম্বার আইকনে ক্লিক করতে হবে। ৩. ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে বটম অব পেইজ (পৃষ্ঠার নিচে) অপশন নির্বাচন করতে হবে। ৪. এরপর পছন্দমতো নম্বরের অবস্থান ও স্টাইল, যেমন মাঝখানে বা ডান পাশে, বেছে নিলে প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রমিক নম্বর বসে যাবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর সাদিয়ার প্রজেক্টে তিনটি সমস্যা আছে: লেখা কিনারা ঘেঁষে ছাপা হওয়া, লাইনগুলো গায়ে গায়ে থাকা এবং পৃষ্ঠার নম্বর না থাকা। এগুলো সমাধানে নিচের সুবিধাগুলো কাজে লাগানো উচিত। ১. মার্জিন নির্ধারণ: রিবনের পেইজ লেআউট ট্যাবে ক্লিক করে মার্জিনস আইকন থেকে পছন্দমতো মার্জিন বা কাস্টম মার্জিন নির্ধারণ করতে হবে। এতে চারদিকে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা থাকবে এবং প্রিন্টের সময় লেখা কেটে যাবে না। বাঁধাই করা হলে বাম দিকে মার্জিন কিছুটা বেশি রাখা ভালো। ২. প্যারাগ্রাফ স্পেসিং: পেইজ লেআউট ট্যাবের প্যারাগ্রাফ গ্রুপের স্পেসিং অংশে লাইনের আগে ও পরে কত পয়েন্ট জায়গা থাকবে তা ঠিক করে দিলে লাইনগুলো গায়ে গায়ে লেগে থাকবে না। এতে লেখা সহজে পড়া যাবে। ডকুমেন্ট টাইপ করার পরও কাঙ্ক্ষিত অংশ নির্বাচন করে এ কাজ করা যায়। ৩. পৃষ্ঠার নম্বর: ইনসার্ট ট্যাবের হেডার ও ফুটার গ্রুপ থেকে পেইজ নাম্বার যোগ করলে ৩০টি পৃষ্ঠায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রমিক নম্বর বসবে। এতে শিক্ষক সহজে পৃষ্ঠাগুলো সাজিয়ে পড়তে পারবেন। এই তিনটি সংশোধনের ফলে প্রজেক্টটি দেখতে পরিপাটি, পাঠযোগ্য ও উপস্থাপনার উপযোগী হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও