বাংলা ১ম পত্র • স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে নবম শ্রেণির ছাত্রী মেঘলা একটি দেশের গান গাইলে হলভর্তি দর্শকের চোখ ভিজে ওঠে। অনেকেই তার সঙ্গে গলা মেলায়। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান শিক্ষক বললেন, “গান মানুষের ভেতরের দেশপ্রেমকে নাড়া দিয়ে জাগিয়ে তোলে।”

  1. ক)

    ছদ্মবেশী লোকটি প্রথমে কোন গান গাইতে শুরু করেছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    “এই পাড়ে বসে একটা গান ধরব, রসের গান।”—লোকটি এ কথা কেন বলেছিলেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষকের মন্তব্যের সঙ্গে ‘স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা’ নাটিকার কোন ঘটনার মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “নাটিকার শেষ দৃশ্যে ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটির ব্যবহার তাৎপর্যপূর্ণ।”—উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ছদ্মবেশী লোকটি প্রথমে “বগা ফান্দে পইড়া বগি কান্দেরে” গানটি গাইতে শুরু করেছিলেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর লোকটি নিজেকে পুঁথি-কেতাব বিক্রেতা ফকির হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তাই গান শোনানোর অজুহাতে তিনি ঘাটে থাকতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, গান শুনে মাঝিরা কেতাব কিনলে তাঁর ভাত খাওয়ার পয়সা হবে। এই কথার আড়ালে দারোগাকে ব্যস্ত রেখে সন্দেহ এড়ানোও তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। এতে তিনি সহজে দারোগার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষকের মন্তব্যের সঙ্গে নাটিকায় গানের মাধ্যমে নূর মোহাম্মদের দেশপ্রেম জেগে ওঠার ঘটনার মিল আছে।
    উদ্দীপকে মেঘলার দেশের গান শুনে শ্রোতাদের চোখ ভিজে ওঠে এবং তারা গলা মেলায়। নাটিকায় দারোগা নূর মোহাম্মদ প্রথমে গান ভালোবাসেন না বলেছিলেন। কিন্তু “একূল ভাঙে ওকূল গড়ে” গান শুনে তাঁর বুক হু হু করে ওঠে এবং তিনি বলেন, বাংলা পরাধীন, গাও ভাই গাও। পরে ‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি’ গানটি তিনি লোকটির সঙ্গে একসঙ্গে গাইতে থাকেন। উদ্দীপকের মতোই গান তাঁর ভেতরের সুপ্ত দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর নাটিকার শেষে বিপ্লবী নদীর ঘাটে নামলে নদীর বুক থেকে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘আমার সোনার বাংলা’ গান ভেসে আসে, আর নূর মোহাম্মদসহ তিনজন নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এই ব্যবহার তাৎপর্যপূর্ণ।
    ১. দেশপ্রেমের প্রকাশ: উদ্দীপকে দেশের গান শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। নাটিকার শেষে গানটি পুরো মঞ্চে দেশপ্রেমের আবহ তৈরি করে।
    ২. ঐক্যের প্রতীক: গানটি সম্মিলিত কণ্ঠে গাওয়া হচ্ছে। উদ্দীপকে সবাই মেঘলার সঙ্গে গলা মেলায়। এভাবে নাটিকায় মুক্তিকামী মানুষের ঐক্য ফুটে ওঠে।
    ৩. নীরব সমর্থন: গান চলার সময় নূর মোহাম্মদ ও দুই সিপাহী নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে বোঝা যায়, কর্তব্যের বাইরে গিয়ে তাঁরাও স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে একাত্ম।
    ৪. ভবিষ্যতের ইঙ্গিত: বিপ্লবী তাঁদের লক্ষ্যের পথে এগিয়ে যান; জাতীয় সংগীতের সুর স্বাধীন সোনার বাংলার স্বপ্নের ইঙ্গিত দেয়।
    সুতরাং শেষ দৃশ্যে গানটির ব্যবহার নাটিকার মূল বার্তা ‘স্বদেশ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়া’-কে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও