বাংলা ১ম পত্র • মে-দিনের কবিতা

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মাসের পর মাস বকেয়া মজুরি পাচ্ছিল না। ছোট ছোট ঘরে ঠাসাঠাসি করে থেকে তারা দিনরাত খাটে, তবু সংসার চলে না। শ্রমিক নেতা রফিক ভাই একদিন সবাইকে ডেকে বললেন, “আর চুপ করে সয়ে থাকলে চলবে না। সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করতে হবে।” তাঁর কথায় শ্রমিকদের মনে নতুন সাহস জেগে ওঠে।

  1. ক)

    সুভাষ মুখোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

    (1)
  2. খ)

    “কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া”— বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের রফিক ভাইয়ের আহ্বানে ‘মে-দিনের কবিতা’র কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকটি ‘মে-দিনের কবিতা’র সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করে না।”— মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সুভাষ মুখোপাধ্যায় ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কাঠ ফেটে যাওয়ার মতো প্রখর রোদে শ্রমজীবী মানুষকে কাজ করতে হয়। সেই রোদের তাপে তাদের চামড়া যেন ভাজা হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কবি শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুঃসহ জীবনযন্ত্রণার চিত্র তুলে ধরেছেন। অর্থাৎ খেটে খাওয়া মানুষের জীবন কঠিন ও কষ্টে ভরা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের রফিক ভাইয়ের আহ্বানে ‘মে-দিনের কবিতা’র নিষ্ক্রিয়তা ত্যাগ করে সংঘবদ্ধ সংগ্রামে এগিয়ে আসার আহ্বান-এর দিকটি ফুটে উঠেছে। কবিতায় কবি বলেছেন, “মৃত্যুর ভয়ে ভীরু বসে থাকা, আর না— পরো পরো যুদ্ধের সজ্জা।” অর্থাৎ ভয়ে চুপ করে বসে থাকার দিন শেষ, এখন সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে হবে। উদ্দীপকে রফিক ভাইও শ্রমিকদের বলেছেন, চুপ করে সয়ে থাকলে চলবে না, সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ন্যায্য পাওনা আদায় করতে হবে। দুই ক্ষেত্রেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়ানোর ডাক রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে বকেয়া মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের জেগে ওঠার চিত্র আছে, যা ‘মে-দিনের কবিতা’র একটি বড় অংশকে ধারণ করে। তবে কবিতার ভাব আরও ব্যাপক। তাই মন্তব্যটি যথার্থ বলে আমি মনে করি। ১. মিল: কবিতায় শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট, ‘কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া’, আর্তের কান্না এবং সংগ্রামের ডাক আছে। উদ্দীপকেও শ্রমিকদের দিনরাত খাটুনি, দুঃখ-কষ্ট ও সম্মিলিত সংগ্রামের প্রেরণা আছে। ২. অমিল: কবিতায় ‘শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না’-র মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে চলা শোষণের কথা বলা হয়েছে এবং শোষক-নির্যাতকের হাত থেকে সামগ্রিক মানবমুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। উদ্দীপক শুধু একটি কারখানার মজুরি আদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ৩. কবিতায় ‘ধ্বংসের মুখোমুখি’ দাঁড়িয়ে যৌবনশক্তির জেগে ওঠার যে ব্যাপক সামাজিক পটভূমি আছে, উদ্দীপকে তা অনুপস্থিত। সুতরাং উদ্দীপক কবিতার মূলভাবের একটি অংশ প্রকাশ করলেও সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করে না; মন্তব্যটি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও