তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন
কামাল সৌদি আরবে কাজ করেন। গ্রামের জমি বিক্রির জন্য তাঁর জমির রেকর্ডের অনুলিপি দরকার হলো। আগে এজন্য ভূমি অফিসে গিয়ে কর্মীদের কাছে আবেদন করতে হতো। এবার তিনি সৌদি আরবে বসেই নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে অনলাইনে তা সংগ্রহ করলেন। অন্যদিকে তাঁর বাবা হাশেম মিয়া গ্রামের ডাকঘর থেকে ১ মিনিটের মধ্যে ঢাকায় পড়ুয়া মেয়েকে ৪০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিলেন।
- ক)(1)
ই-পর্চা কাকে বলে?
- খ)(2)
ই-সেবাকে হয়রানিমুক্ত সেবা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কামালের সংগৃহীত সেবাটি আগের পদ্ধতির চেয়ে কীভাবে সুবিধাজনক? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের কামাল ও তাঁর বাবা উভয়েই ই-সেবার সুবিধা ভোগ করেছেন— বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর দেশের জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করার ব্যবস্থাকে ই-পর্চা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ই-সেবায় সেবাগ্রহীতাকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে বা কর্মীদের পেছনে ঘুরতে হয় না। ঘরে বসে অনলাইন, মোবাইল বা এসএমএসের মাধ্যমেই সেবা পাওয়া যায়। এতে সময় ও খরচ কমে এবং অনিয়ম ও দালালের ঝামেলাও থাকে না। তাই ই-সেবাকে হয়রানিমুক্ত সেবা বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে কামাল অনলাইনে জমির রেকর্ডের অনুলিপি সংগ্রহ করেছেন, যা ই-পর্চা সেবা।
আগের পদ্ধতিতে আবেদনকারীকে সরাসরি ভূমি অফিসে উপস্থিত হতে হতো এবং দপ্তরের কর্মীরা বড় রেকর্ড বই থেকে তথ্য নিয়ে ছকে পূরণ করে পর্চা দিতেন। এতে সময় ও খরচ বেশি লাগত।
ই-পর্চায় আবেদনকারী দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন। তাই কামালকে সৌদি আরব থেকে দেশে আসতে হয়নি এবং অন্য কাউকে ভূমি অফিসে পাঠাতে হয়নি। এভাবে ই-পর্চা কামালের সময়, খরচ ও ভোগান্তি কমিয়েছে। তাই এটি আগের পদ্ধতির চেয়ে অনেক সুবিধাজনক।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানকে ই-সেবা বলে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প খরচ, স্বল্প সময় এবং হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা।
১. কামালের সেবা: কামাল অনলাইনে ই-পর্চা সংগ্রহ করেছেন। এজন্য তাঁকে ভূমি অফিসে যেতে হয়নি, ফলে সময়, ভ্রমণ খরচ ও হয়রানি বেঁচেছে। এখানে ই-সেবার তিনটি বৈশিষ্ট্যই পাওয়া যায়।
২. বাবার সেবা: হাশেম মিয়া ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ইএমটিএস) ব্যবহার করে ১ মিনিটে ৪০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। এই ব্যবস্থায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পাঠানো যায়। এটিও ই-সেবার একটি উদাহরণ।
দুটি সেবাতেই ইলেকট্রনিক মাধ্যমে দ্রুত, কম খরচে ও ঝামেলাহীনভাবে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং, কামাল ও তাঁর বাবা উভয়েই ই-সেবার সুবিধা ভোগ করেছেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও