বাংলা ১ম পত্র • বন্দনা

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

দিনমজুর হাশেম মিয়া প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাটি কাটেন। মাসের শেষে টাকা কমে গেলে তিনি নিজে একবেলা না খেয়ে থাকেন, কিন্তু মেয়ে সুমির স্কুলের বেতন ও বই-খাতা ঠিকই কিনে দেন। পুরোনো শার্ট সেলাই করে পরেন, অথচ মেয়ের জন্য নতুন জামা কেনেন। সুমি এখন বড় হয়ে ডাক্তার। সে ভাবে, বাবার এই ঋণ সে কীভাবে শোধ করবে।

  1. ক)

    শাহ মুহম্মদ সগীর কার রাজত্বকালে ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন?

    (1)
  2. খ)

    “কনে বা সুধিব তান ধারক কাহন”—কবি একথা বলেছেন কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের হাশেম মিয়ার আচরণে ‘বন্দনা’ কবিতার পিতার কোন ভূমিকার প্রতিফলন ঘটেছে? বিশ্লেষণ করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “সুমির ভাবনা যেন ‘বন্দনা’ কবিতার কবির উপলব্ধিরই প্রতিধ্বনি।”—মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কবির মতে পিতা সন্তানের জন্য অসীম কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করেন। তিনি না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ান, না পরে সন্তানকে পরান। এই স্নেহ ও ত্যাগ এত বিশাল যে তা টাকাপয়সা বা অন্য কিছু দিয়ে মাপা যায় না। তাই কবি বলেছেন, পিতার এই ঋণ কেউ কখনো শোধ করতে পারবে না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের হাশেম মিয়ার আচরণে ‘বন্দনা’ কবিতার পিতার আত্মত্যাগী ও সন্তানবৎসল ভূমিকার প্রতিফলন ঘটেছে। কবিতায় কবি বলেছেন, “না খাই খাওয়াএ পিতা না পরি পরাএ”, অর্থাৎ পিতা নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ান এবং নিজে না পরে সন্তানকে পরান। উদ্দীপকে হাশেম মিয়া মাসের শেষে নিজে একবেলা না খেয়েও মেয়ের বেতন ও বই-খাতা কিনে দেন। তিনি নিজে পুরোনো শার্ট সেলাই করে পরেন, কিন্তু মেয়ের জন্য নতুন জামা কেনেন। এভাবে দুই ক্ষেত্রেই পিতা নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে সন্তানের প্রয়োজন মিটিয়েছেন। সুতরাং হাশেম মিয়ার মধ্যে কবিতার আত্মত্যাগী পিতার রূপই ফুটে উঠেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সুমি ভাবে, বাবার ঋণ সে কীভাবে শোধ করবে। ‘বন্দনা’ কবিতায়ও কবি পিতার ঋণ শোধের অসাধ্যতার কথা বলেছেন। তাই মন্তব্যটি যথার্থ।
    ১. ত্যাগের স্বীকৃতি: কবি জানেন, পিতা না খেয়ে ও না পরে কত দুঃখে বছরের পর বছর কাটিয়েছেন। সুমিও বাবার একবেলা না খাওয়া ও পুরোনো শার্ট পরার ত্যাগ মনে রেখেছে।
    ২. ঋণ অপরিশোধ্য: কবি বলেছেন, “কনে বা সুধিব তান ধারক কাহন”, অর্থাৎ পিতার ঋণ শোধ করা যায় না। সুমির দুশ্চিন্তাতেও সেই উপলব্ধি ফুটেছে।
    ৩. পিতার কল্যাণদৃষ্টি: কবিতায় পিতা সন্তানের জীবন-যৌবনকে স্নেহ করেন। সুমির ডাক্তার হওয়ার পেছনেও বাবার সেই স্নেহ ও সংগ্রাম।
    ৪. কৃতজ্ঞতাবোধ: দুজনের ভাবনাতেই গভীর কৃতজ্ঞতা কাজ করেছে।
    সুতরাং সুমির ভাবনা কবির উপলব্ধিরই প্রতিধ্বনি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও