বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশের পরিবার কাঠামো ও সামাজিকীকরণ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন
রহিম সাহেবের বাড়ির পাশেই বাস করেন হিন্দু পরিবারের সুমিত্রা দেবী ও খ্রিস্টান পরিবারের মি. গোমেজ। ঈদের দিন রহিম সাহেবের ছেলে তামিম বাবার সাথে ঈদগাহে নামাজ পড়ে এবং প্রতিবেশীদের বাড়িতে সেমাই পাঠায়। দুর্গাপূজা ও বড়দিনে তামিম তার বন্ধুদের সাথে আনন্দে অংশ নেয়। এসব অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তামিম সবার সাথে মিলেমিশে চলতে শিখছে।
- ক)(1)
ইসলাম ধর্মের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসবের নাম লেখো।
- খ)(2)
ধর্মীয় অনুষ্ঠান শিশুর নৈতিকতা বিকাশে সহায়তা করে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে তামিমের সামাজিকীকরণে কোন কোন উপাদানের ভূমিকা রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
‘সম্প্রীতির শিক্ষা আমরা অর্জন করি জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।’ — উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ইসলাম ধর্মের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর শিশু তার পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনকে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় ধর্মীয় আচার পালন করতে দেখে। এসব অনুষ্ঠান শিশুমনে গভীর রেখাপাত করে এবং তার বাহ্যিক আচরণকে সংযত করে। এর ফলে তার বিবেকবোধ ও চেতনা জাগ্রত হয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সে সততা, সহমর্মিতা ও সমাজসেবায় অনুপ্রাণিত হয়। তাই ধর্মীয় অনুষ্ঠান শিশুর নৈতিকতা বিকাশে সহায়তা করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে তামিমের সামাজিকীকরণে প্রধানত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবেশীর ভূমিকা রয়েছে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: তামিম বাবার সাথে ঈদগাহে নামাজ পড়ে। ঈদের মতো ধর্মীয় উৎসব শিশুমনে ধর্মানুভূতির পাশাপাশি ঐক্য, সংহতি ও সম্প্রীতির শিক্ষা দেয়।
প্রতিবেশী: সে প্রতিবেশীদের বাড়িতে সেমাই পাঠায় এবং দুর্গাপূজা ও বড়দিনের মতো প্রতিবেশীদের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এর মাধ্যমে সে সহিষ্ণুতা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির গুণ অর্জন করে।
অতএব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও প্রতিবেশী উভয়ই তামিমের সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি উদ্দীপকের আলোকে যথার্থ।
উদ্দীপকে তামিম নিজ ধর্মের উৎসব ঈদ পালনের পাশাপাশি প্রতিবেশীর দুর্গাপূজা ও বড়দিনের আনন্দেও অংশ নেয়। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের উৎসবে অংশ নেওয়ার ফলে তার মনের সংকীর্ণতা দূর হচ্ছে এবং সে ভিন্ন ধর্মের মানুষকে সম্মান করতে শিখছে।
পাঠ্যবইয়ের আলোকে ধর্মীয় উৎসবের নানা কার্যক্রম শিশুমনে ঐক্য, সংহতি ও সম্প্রীতির শিক্ষা দেয় এবং মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ কমায়। প্রতিবেশীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে শিশুরা সহিষ্ণুতা ও সহনশীলতা অর্জন করে। ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে সবাই একসাথে অংশ নেওয়ায় পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় হয়।
তামিমের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, উৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সে সবার সাথে মিলেমিশে চলার শিক্ষা পাচ্ছে। সুতরাং উক্তিটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও