বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন

চাঁদপুরের একটি গ্রামে সম্প্রতি অনেক পরিবর্তন এসেছে। সেখানকার বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েরা সমানভাবে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে এবং মানসম্মত শিক্ষা পাচ্ছে। প্রতিটি পাড়ায় নলকূপ ও স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন বসানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের সাহায্যে গ্রামের ঘরে ঘরে সাশ্রয়ী আলো পৌঁছেছে।

  1. ক)

    এসডিজি কয়টি অভীষ্ট নিয়ে গঠিত?

    (1)
  2. খ)

    জেন্ডার সমতা অভীষ্টটি বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের গ্রামটিতে যে যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের প্রতিফলন ঘটেছে, তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের গ্রামটিকে আরও টেকসই করতে তোমার মতে আর কোন কোন অভীষ্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত? যুক্তিসহ মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৭টি অভীষ্ট নিয়ে গঠিত।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর জেন্ডার সমতা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের পঞ্চম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নারী ও পুরুষের মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক সকল বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ এর লক্ষ্য। কাউকে পিছিয়ে রেখে উন্নয়ন টেকসই হয় না বলেই এ অভীষ্টের গুরুত্ব।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের গ্রামে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের নিম্নলিখিত লক্ষ্যগুলোর প্রতিফলন ঘটেছে:
    ১. গুণগত শিক্ষা (অভীষ্ট ৪): বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ এ অভীষ্টকে নির্দেশ করে।
    ২. জেন্ডার সমতা (অভীষ্ট ৫): ছেলে ও মেয়ে উভয়ের সমানভাবে পড়ার সুযোগ জেন্ডার সমতার প্রতিফলন।
    ৩. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন (অভীষ্ট ৬): নলকূপ ও স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন এ অভীষ্টের উদাহরণ।
    ৪. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি (অভীষ্ট ৭): সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির উদাহরণ।

    এভাবে গ্রামটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ উন্নয়নের সমন্বয়ে এসডিজি অর্জনের পথে এগিয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের গ্রামে শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, পানি-পয়ঃনিষ্কাশন ও জ্বালানির ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। গ্রামটিকে আরও টেকসই করতে আমার মতে নিচের অভীষ্টগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত:
    ১. দারিদ্র্য বিলোপ ও ক্ষুধা মুক্তি (অভীষ্ট ১ ও ২): গ্রামবাসীর আয় ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ও অন্যান্য সুবিধা ধরে রাখা কঠিন।
    ২. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (অভীষ্ট ৮): কর্মসংস্থান তৈরি হলে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা গ্রামেই অবদান রাখতে পারবে।
    ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ (অভীষ্ট ৩): নিরাপদ পানি থাকলেও চিকিৎসাসেবা না থাকলে মানুষের কল্যাণ অসম্পূর্ণ থাকে।
    ৪. জলবায়ু কার্যক্রম (অভীষ্ট ১৩): নদীবিধৌত এলাকা হিসেবে বন্যা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা জরুরি।
    ৫. অংশীদারিত্ব (অভীষ্ট ১৭): গ্রামবাসী, সরকার ও বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগ ছাড়া এ পরিবর্তন ধরে রাখা যাবে না।

    যেহেতু সব অভীষ্ট সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়, তাই এলাকার চাহিদা ও সক্ষমতা অনুযায়ী এগুলোকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করলে গ্রামটি প্রকৃত অর্থে টেকসই হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও