বাংলা ১ম পত্র • চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকা অধ্যাপক মনিরুজ্জামান যান্ত্রিক জীবনে হাঁপিয়ে ওঠেন। প্রতিদিন রাতে তিনি চোখ বুজে তাঁর শৈশবের গ্রামের নদী, ধানক্ষেত আর মায়াময় মুখগুলোর কথা ভাবেন। এই স্মৃতিই তাঁকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি জোগায়। অন্যদিকে তাঁর প্রতিবেশী রফিক সাহেব মনে করেন, পৃথিবীতে হিংসা আর স্বার্থের জয় অনিবার্য, মানুষের ভালো হওয়ার আশা বৃথা।
- ক)(1)
‘কুরুক্ষেত্র’ কী?
- খ)(2)
“বুকের নিভৃতে এক নিবিড় চুনিয়া”—বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- গ)(3)
অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের ভাবনায় ‘চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া’ কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“অধ্যাপক মনিরুজ্জামান ও রফিক সাহেবের মধ্যে কে ‘চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া’ কবিতার আশাবাদের প্রতিনিধিত্ব করেন?”—যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর কুরুক্ষেত্র প্রাচীন ভারতের একটি ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে কৌরব ও পাণ্ডবদের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর চুনিয়া এখানে শান্তি, সরলতা ও মানবিকতার প্রতীক। সভ্যসমাজের কেউ কেউ যান্ত্রিকতা ও হিংসার মধ্যেও নিজের মনে সেই নির্মল ও স্নিগ্ধ গ্রামের মতো পরিবেশকে লালন করেন। বাইরে থেকে তা দেখা না গেলেও তাদের অন্তরে সেই শান্ত ও মানবিক চেতনা নিবিড়ভাবে বেঁচে থাকে। কবি এ কথাটির মাধ্যমে তাই বুঝিয়েছেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের ভাবনায় কবিতার “চুনিয়া এখনো আছে এই সভ্যসমাজের কারো-কারো মনে”—এই দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। কবিতায় বলা হয়েছে, সভ্যসমাজের অনেকেই বুকের গভীরে চুনিয়ার মতো স্নিগ্ধ, শান্ত পরিবেশ লালন করেন। উদ্দীপকে অধ্যাপক ঢাকার যান্ত্রিক জীবনে থেকেও শৈশবের গ্রামের নদী, ধানক্ষেত ও মায়াময় মুখগুলোকে প্রতিদিন মনে করেন। এই স্মৃতি তাঁকে শক্তি জোগায়। তাই বলা যায়, তাঁর অন্তরে একটি নিজস্ব ‘চুনিয়া’ বেঁচে আছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর অধ্যাপক মনিরুজ্জামানই কবিতার আশাবাদের প্রতিনিধিত্ব করেন। কবিতায় চুনিয়া নৈরাশ্যবাদী নয়। সে নিশিদিন আশার প্রদীপ জ্বেলে রাখে এবং বিশ্বাস করে, শেষ পর্যন্ত মানুষ হিংসা-দ্বেষ ভুলে পরস্পর সৎ প্রতিবেশী হবে। ১. মনিরুজ্জামান যান্ত্রিক জীবনেও হৃদয়ে গ্রামের শান্ত স্মৃতি লালন করেন, যেমন কবিতায় সভ্যসমাজের কারো কারো মনে চুনিয়া বেঁচে থাকে। ২. তাঁর স্মৃতি তাঁকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়, যা চুনিয়ার মারণাস্ত্রসময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মনোভাবের সঙ্গে মেলে। ৩. রফিক সাহেব মনে করেন হিংসা-স্বার্থেরই জয় হবে এবং মানুষের ভালো হওয়ার আশা বৃথা। এই নৈরাশ্যবাদী ধারণা কবিতার ‘চুনিয়া নৈরাশ্যবাদী নয়’ বক্তব্যের পরিপন্থী। অতএব অধ্যাপক মনিরুজ্জামানই কবিতার আশাবাদের প্রতিনিধি, রফিক সাহেব নন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও