ভূগোল ২য় পত্র • বাণিজ্য
ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন
২০১৮ সালে 'ক' দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পণ্য রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে ১৬৬৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। দেশটির রপ্তানির তালিকায় রয়েছে কম্পিউটারসহ মেশিনারিজ, তেলসহ খনিজ জ্বালানি, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি এবং বিমান ও নভোযানের যন্ত্রাংশ। সারা বিশ্বে দেশটির বিমান ও মেশিনারিজ পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
- ক)(1)
২০১৮ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক দেশ কোনটি?
- খ)(2)
রপ্তানি বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'ক' দেশটির রপ্তানি পণ্যসমূহ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
'ক' দেশটি বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করার কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ২০১৮ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক দেশ ছিল চীন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর কোনো দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে স্থানান্তর করাকে রপ্তানি বলে। বিদেশি চাহিদার কারণে এ পণ্য প্রেরণ করা হয়। বিক্রেতা দেশ পণ্যের বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা লাভ করে এবং এ কারণে বিক্রয়কারী দেশকে রপ্তানিকারক দেশ বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'ক' দেশটি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যা ২০১৮ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ ছিল। দেশটির প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো হলো- ১. মেশিনারিজ ও কম্পিউটার: এ খাত থেকে ২০১৮ সালে ২৩৩.৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়, যা মোট রপ্তানির ১২.৮%। ২. খনিজ জ্বালানি: তেলসহ খনিজ জ্বালানি রপ্তানি করে ১৮৯.৯ বিলিয়ন ডলার (১১.৪%) আয় হয়। ৩. ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি: এ খাতে আয় ১৭৬.১ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১০.৬%। ৪. বিমান ও নভোযান পণ্য: এখান থেকে আয় ১০৯.১ বিলিয়ন ডলার (৮.৪%)। ৫. পরিবহন যান: এ খাত থেকে আয় ১৩০.৬ বিলিয়ন ডলার (৭.৮%)। এসব পণ্য রপ্তানি করেই দেশটি বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'ক' দেশটি যুক্তরাষ্ট্র, যা ২০১৮ সালে ১৬৬৬ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। এর কারণগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- ১. রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য: দেশটি মেশিনারিজ, খনিজ জ্বালানি, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, বিমান ও নভোযান এবং পরিবহন যানসহ বহু ধরনের পণ্য রপ্তানি করে। কোনো একটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল না থাকায় আয় স্থিতিশীল থাকে। ২. উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য: যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নভোযান শিল্পের বৃহৎ কারখানা রয়েছে এবং এসব পণ্য প্রস্তুত ও মেরামতের সামগ্রী সারা বিশ্বে সমাদৃত। ৩. বিশ্বব্যাপী উচ্চ চাহিদা: দেশটির মেশিনারিজ ও ইলেকট্রনিক পণ্যের বিশ্বের বহু দেশে উচ্চ চাহিদা থাকায় রপ্তানির পরিমাণ বেশি। ৪. প্রাকৃতিক সম্পদ: তেলসহ খনিজ জ্বালানি রপ্তানি করে দেশটি অতিরিক্ত আয় করে। এসব কারণে প্রযুক্তিনির্ভর ও বৈচিত্র্যময় রপ্তানি কাঠামোর জোরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশের অবস্থান ধরে রেখেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও