ভূগোল ২য় পত্র • মানব ভূগোল

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

'অ' সংগঠনটি ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এর সদস্য দেশগুলো একই মুদ্রা এবং একই কৃষি ও মৎস্যনীতি অনুসরণ করে। অন্যদিকে 'আ' মহাদেশের অধিকাংশ দেশ স্পেন ও পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল। দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের ফলে সেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধীর গতিতে হয়েছে। তবে কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ও খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য থাকায় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত আঞ্চলিক বাণিজ্য গড়ে উঠেছে।

  1. ক)

    NATO-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    আফ্রিকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়েও প্রভাবশালী রাষ্ট্রসমূহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত— ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'অ' সংগঠনটি ইউরোপের রাজনীতিতে কীভাবে ভূমিকা রাখছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'আ' মহাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধীর হওয়ার কারণ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর আফ্রিকা মহাদেশে প্রচুর খনিজ সম্পদ রয়েছে। কিন্তু এই মহাদেশে যথাযথ অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ঘটেনি। ফলে নিজস্ব প্রযুক্তি ও মূলধনে খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এই সুযোগে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তাই সম্পদে সমৃদ্ধ হয়েও আফ্রিকা প্রভাবশালী রাষ্ট্রসমূহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'অ' সংগঠনটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), যা ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রতিষ্ঠাকালে এর সদস্য ছিল ১৫টি দেশ। ইউরোপ মহাদেশে এটি সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক জোট। এই জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একই মুদ্রা, একই কৃষিনীতি এবং মৎস্যনীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ইউরোপীয় রাজনীতি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্বারা পরিচালিত হয়। এভাবে সংগঠনটি ইউরোপের দেশগুলোকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের 'আ' মহাদেশটি দক্ষিণ আমেরিকা। এখানকার আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, উরুগুয়ে, কলম্বিয়া, চিলি, প্যারাগুয়ে ও ভেনিজুয়েলা স্পেনের উপনিবেশ ছিল এবং ব্রাজিল ছিল পর্তুগালের উপনিবেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধীর হওয়ার কারণ: দক্ষিণ আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপনের প্রধান কারণ ছিল কৃষি। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো সেখানকার কৃষি ও সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে দীর্ঘ সময় শাসন করেছে। ফলে স্থানীয়ভাবে শিল্প ও অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে ওঠার সুযোগ কমে গেছে এবং উন্নয়ন ধীর গতিতে হয়েছে। আঞ্চলিক বাণিজ্যের গুরুত্ব: এই সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ও খনিজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত আঞ্চলিক বাণিজ্য গড়ে উঠেছে। এই বাণিজ্য সহজতর করতে Union of South American Nations এবং G3 মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (মেক্সিকো, কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা) মতো আঞ্চলিক সংস্থা রয়েছে। এগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে বাইরের নির্ভরতা কমাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়াতে সহায়ক। সুতরাং ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে উন্নয়ন ধীর হলেও আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সংস্থাগুলো দক্ষিণ আমেরিকার অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও