বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন
জনাব তারেক একটি দেশের সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নির্বাচিত হন এবং রাষ্ট্রপ্রধান তাঁকে সরকার গঠনের জন্য নিয়োগ দেন। তিনি তাঁর পছন্দমতো সহকর্মীদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন। পরবর্তী বছরে তাঁর নির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করে সংসদে উপস্থাপন করেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- ক)(1)
বাংলাদেশে সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
- খ)(2)
প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব তারেকের বাজেট সংক্রান্ত কাজটি প্রধানমন্ত্রীর কোন ধরনের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জনাব তারেকের কার্যাবলির আলোকে সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর বহুমুখী ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর বাংলাদেশে সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান এবং তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। তিনি মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টনে ভূমিকা রাখেন। সরকারের সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাঁকে কেন্দ্র করেই গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে পুরো মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। এসব কারণে তাঁকে মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে জনাব তারেকের বাজেট সংক্রান্ত কাজটি প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
প্রধানমন্ত্রী আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন করেন এবং সংসদে তা উপস্থাপন করেন। বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক নীতির প্রতিফলন ঘটে। এছাড়া তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরি দেন।
উদ্দীপকে জনাব তারেকের নির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন করে সংসদে উপস্থাপন করেছেন। এটি প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক ক্ষমতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের জনাব তারেকের কার্যাবলি বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার প্রধানমন্ত্রীর বহুমুখী ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে।
১. শাসন ও নির্বাহী ক্ষমতা: সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে নিয়োগ পেয়ে তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং নির্বাহী ক্ষমতা তাঁর দ্বারা পরিচালিত হয়।
২. অর্থবিষয়ক ভূমিকা: তাঁর নির্দেশে বাজেট প্রণীত হয়েছে। বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক নীতির প্রতিফলন ঘটে।
৩. সমন্বয়কারীর ভূমিকা: তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাসনের কেন্দ্রে থাকেন বলে সকল মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাজে সমন্বয় সাধন করেন এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।
৪. জাতির মুখপাত্র: আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা হিসেবে আইন প্রণয়ন ও সংসদ পরিচালনায় এবং দলের নেতা হিসেবে নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখেন।
অতএব, সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসন, আইন, অর্থ, সমন্বয় ও প্রতিনিধিত্বের কেন্দ্রবিন্দু। তবে তিনি শাসনকাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন, ফলে তাঁর ক্ষমতা জবাবদিহির মধ্যে সীমাবদ্ধ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও