বাংলা ১ম পত্র • মে-দিনের কবিতা

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

রহিম মিয়া ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করে। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাটলেও মালিকের কাছ থেকে সে পায় সামান্য মজুরি। তার বাবা ও দাদাও একইভাবে সারা জীবন অন্যের জন্য খেটে গেছেন, কিন্তু কোনো দিন অবস্থার বদল হয়নি। রহিমের ছেলে সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছে। রহিম স্বপ্ন দেখে, তার ছেলে একদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াবে।

  1. ক)

    ‘মে-দিনের কবিতা’ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কোন কাব্য থেকে সংকলিত?

    (1)
  2. খ)

    “শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না প্রতি নিঃশ্বাসে আনে লজ্জা”— কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের রহিম মিয়ার জীবনচিত্র ‘মে-দিনের কবিতা’র কোন অংশের প্রতিনিধিত্ব করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    রহিমের স্বপ্ন ও ‘মে-দিনের কবিতা’র শেষ স্তবকের মধ্যে কীভাবে সম্পর্ক রয়েছে— বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘মে-দিনের কবিতা’ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘পদাতিক’ কাব্য থেকে সংকলিত।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শোষক শ্রেণি দরিদ্র মানুষকে নিপীড়ন করে আসছে। সেই নিপীড়িত মানুষের কান্না এখনো থামেনি। অথচ এই অন্যায় প্রতিরোধ না করে নীরবে বসে থাকা মানুষের জন্য লজ্জার। তাই কবির কাছে প্রতিটি নিঃশ্বাসে সেই কান্নার স্মৃতি লজ্জা বয়ে আনে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের রহিম মিয়ার জীবনচিত্র ‘মে-দিনের কবিতা’র “শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না” অংশটির প্রতিনিধিত্ব করে। কবিতায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নিপীড়িত মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে রহিম মিয়া সারাদিন খেটেও সামান্য মজুরি পায়। তার বাবা ও দাদাও একইভাবে সারা জীবন অন্যের জন্য খেটে গেছেন, অবস্থার বদল হয়নি। অর্থাৎ বংশপরম্পরায় শোষণ ও বঞ্চনার এই চিত্র কবিতার ‘শতাব্দীলাঞ্ছিত’ শব্দের সঙ্গে মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর রহিমের স্বপ্নের সঙ্গে ‘মে-দিনের কবিতা’র শেষ স্তবকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শেষ স্তবকে কবি বলেছেন, “দুর্যোগ পথ হয় হোক দুর্বোধ্য / চিনে নেবে যৌবন-আত্মা।” ১. আশাবাদ: কবিতার এই স্তবকে কঠিন ও দুর্গম পথকেও তরুণ প্রজন্ম চিনে নেবে— এমন আশা প্রকাশিত হয়েছে। রহিমও আশা করে, তার ছেলে একদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। ২. নতুন প্রজন্মের ভূমিকা: কবিতায় পরিবর্তনের ভার ‘যৌবন-আত্মা’ অর্থাৎ সাহসী তরুণদের ওপর। উদ্দীপকে রহিম তার ছেলের ওপর সেই আশা রাখে। ৩. সংগ্রামের চেতনা: কবিতায় ধ্বংসের বার্তা এলেও সংগ্রামের পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান আছে। রহিমের জীবনে সংগ্রামের সরাসরি প্রকাশ না থাকলেও তার স্বপ্নে সেই প্রতিরোধী চেতনার বীজ আছে। সুতরাং, উদ্দীপক ও শেষ স্তবক উভয়েই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাধ্যমে মুক্তির আশাবাদ প্রকাশ করেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও