বাংলা ১ম পত্র • ছায়াবাজি
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
নবম শ্রেণির ছাত্রী নন্দিনী খাতায় লেখে, “আমি চাঁদের আলো দিয়ে কাঁথা সেলাই করি, মেঘের ভেলায় চড়ে বাজারে যাই, তারা পেড়ে ভাত রাঁধি।” তার বড় ভাই খাতা দেখে বলে, “এসব আবোল-তাবোল লেখা অর্থহীন, সময় নষ্ট।” কিন্তু নন্দিনীর শিক্ষক বলেন, “কল্পনার এই আনন্দ শিশুর মনের জানালা খুলে দেয়।”
- ক)(1)
‘ছায়াবাজি’ কবিতাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- খ)(2)
“আজগুবি নয়, আজগুবি নয়, সত্যিকারের কথা”—কবি এ কথা বলেছেন কেন?
- গ)(3)
নন্দিনীর লেখায় ‘ছায়াবাজি’ কবিতার কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
নন্দিনীর ভাইয়ের মন্তব্য “এসব অর্থহীন”—‘ছায়াবাজি’ কবিতার আলোকে এ বিষয়ে তোমার মত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘ছায়াবাজি’ কবিতাটি সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর কবি যা বলছেন তা আসলে অবিশ্বাস্য ও অদ্ভুত কথা। তবু তিনি ঘোষণা করেছেন যে এগুলো সত্যি। এভাবে তিনি পাঠকের কৌতূহল জাগিয়ে তুলতে চেয়েছেন। গম্ভীরভাবে অদ্ভুত কথাকে সত্য বলার মধ্য দিয়ে কবিতায় হাস্যরস সৃষ্টি হয়েছে। এটাই সুকুমার রায়ের স্বভাবসুলভ রচনারীতি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর নন্দিনীর লেখায় ‘ছায়াবাজি’ কবিতার আজগুবি কল্পনা ও উদ্ভট কথার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। কবিতায় কবি ছায়ার সঙ্গে কুস্তি করা, চিলের ছায়া খাঁচায় পোরা, হাল্কা মেঘের ছায়া চেখে দেখা ইত্যাদি অবাস্তব কাজের কথা বলেছেন। উদ্দীপকে নন্দিনীও চাঁদের আলো দিয়ে কাঁথা সেলাই করা, মেঘের ভেলায় চড়ে বাজারে যাওয়া এবং তারা পেড়ে ভাত রাঁধার কথা লিখেছে। দুটিই বাস্তবে অসম্ভব, কিন্তু কল্পনায় আনন্দদায়ক। এ কারণেই নন্দিনীর লেখার সঙ্গে কবিতার মিল আছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর নন্দিনীর ভাইয়ের মন্তব্যটি আমি সম্পূর্ণ সমর্থন করি না। ‘ছায়াবাজি’ কবিতার ওপর ওপর অর্থ অবাস্তব ও আজগুবি। তবু এটি সাহিত্য হিসেবে মূল্যবান। ১. আনন্দ: কবিতাটি পড়ে পাঠক হাসে ও কল্পনার স্বাদ পায়, যেমন নন্দিনীর শিক্ষক বলেছেন কল্পনার আনন্দ মনের জানালা খুলে দেয়। ২. রূপক অর্থ: পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী কবিতাটি রূপক। এখানে ছায়াকে শিল্পের অমরাত্মা ধরা হয়েছে, আর চটুল ভাবের ভেতরে জীবনের গভীর সত্য লুকিয়ে আছে। ৩. সৃজনশীলতা: সুকুমার রায় ছায়া ধরার মতো অদ্ভুত বিষয় নিয়ে নতুন জগৎ তৈরি করেছেন। এতে প্রমাণ হয়, আজগুবি কথাও শিল্পসম্মত হতে পারে। সুতরাং এমন লেখাকে অর্থহীন বলা যায় না; এগুলো শিশুমনের কল্পনাশক্তি ও আনন্দ বাড়ায়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও