বাংলা ১ম পত্র • যাব আমি তোমার দেশে

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া ঢাকায় বড় হয়েছে। এবার নানার বাড়ি নাটোরের এক গ্রামে বেড়াতে গিয়ে সে ধানক্ষেতের ভেতর দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে যাওয়া সরু মেঠো পথ ধরে হেঁটে বেড়ায়। পথের দুপাশে নাম-না-জানা ফুল ফুটে আছে, গাছের ছায়ায় দুপুরের রোদ যেন ঘুমিয়ে পড়েছে। ফেরার সময় তানিয়া মাকে বলল, “মা, এই গ্রামের পথে আমি আবার ফিরে আসব।”

  1. ক)

    ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার কবি কোন নামে খ্যাত?

    (1)
  2. খ)

    “দীঘল বাঁকা পথখানি”—বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের তানিয়ার অনুভূতির সঙ্গে ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকটি ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করতে পারেনি।”—মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার কবি জসীমউদ্দীন ‘পল্লিকবি’ নামে খ্যাত।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কবি পল্লিগ্রামের লম্বা ও আঁকাবাঁকা মেঠো পথের কথা বুঝিয়েছেন। ধান ও কাউনের ক্ষেতের ভেতর দিয়ে এই পথ সরু সুতোর আঁচড়ের মতো চলে গেছে। কোথাও তা সোজা, কোথাও বাঁকা। পথটির এই রূপ গ্রামীণ প্রকৃতির সরলতা ও সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলেছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের তানিয়ার অনুভূতির সঙ্গে ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার পল্লিপ্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ ও সেখানে যাওয়ার আকুলতা সাদৃশ্যপূর্ণ।

    কবিতায় কবি পল্লি-দুলালের দেশে যেতে চেয়েছেন। সেখানে ধান-কাউনের ক্ষেতের ভেতর দিয়ে সরু বাঁকা পথ গেছে, নাম-না-জানা ফুলের সুবাস বাতাসে ভেসে আসে এবং গাছের ছায়ায় গাঁয়ের রোদ ঘুমিয়ে থাকে। উদ্দীপকে তানিয়াও গ্রামের ধানক্ষেতের মাঝের সরু পথে হেঁটে বেড়ায়, নাম-না-জানা ফুল দেখে এবং ছায়ায় ঘুমন্ত রোদের শান্ত রূপ উপভোগ করে। গ্রামের প্রকৃতি তাকে এতটাই মুগ্ধ করেছে যে সে আবার ফিরে আসতে চায়। কবির মতো তানিয়ার মনেও পল্লিপ্রকৃতির প্রতি টান ও সেখানে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকে কবিতার কিছু দিক প্রকাশ পেলেও কবিতার সম্পূর্ণ ভাব সেখানে নেই।

    ১. সাদৃশ্যের দিক: কবিতায় ধান-কাউনের ক্ষেতের ভেতর দিয়ে সরু বাঁকা পথ, নাম-না-জানা ফুলের সুবাস এবং গাছের ছায়ায় রোদের ঘুমিয়ে থাকার ছবি আছে। উদ্দীপকের তানিয়ার অভিজ্ঞতায় এই পথ, ফুল ও ছায়ার চিত্র পাওয়া যায়।

    ২. কবিতার বাড়তি দিক: কবিতায় কবি পল্লি-দুলালের কাঁধে হাত রেখে ঘুরে বেড়াতে চেয়েছেন। তিনি পাড়ার দস্যি ছেলেদের সঙ্গে দল বেঁধে খেলতে, ধল-দীঘিতে সাঁতার কেটে রক্ত-কমল তুলতে এবং পাখির ডাকে ডাক মেলাতে চেয়েছেন। ঘাটে ফুলের মালা রেখে আসার মতো কল্পনার কথাও আছে। উদ্দীপকে বন্ধুত্ব, খেলাধুলা, দীঘি বা সন্ধ্যার সৌন্দর্যের কোনো ইঙ্গিত নেই।

    ৩. ভাবের গভীরতা: কবিতায় পল্লির মাটি, প্রকৃতি ও মানুষের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আবেগ আছে। উদ্দীপকে তা কেবল গ্রাম দেখার মুগ্ধতার মধ্যেই সীমিত।

    সুতরাং উদ্দীপকে কবিতার পথ ও ফুলের চিত্র থাকলেও এর সম্পূর্ণ ভাব ধরা পড়েনি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও