তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন

দশম শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত একটি ফেসবুক গ্রুপে তার ছবি দিয়েছিল। এক অপরিচিত ফেক আইডি থেকে সেই ছবি এডিট করে অপমানজনক মন্তব্যসহ বারবার ছড়ানো হয়। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, স্কুলে যেতে চায় না। সে বিষয়টি ভয়ে কাউকে বলেনি। পরে তার শিক্ষিকা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে কিছু পরামর্শ দেন।

  1. ক)

    সাইবার বুলিং কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি বা তথ্য মুছে ফেলা কঠিন কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে নুসরাতের সাথে ঘটা ঘটনাটি কোন ধরনের সাইবার অপরাধ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    নুসরাতের সাইবার আক্রমণের শিকার হওয়ার পর শিক্ষিকার দেওয়া পরামর্শ কী কী হতে পারে এবং এগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ তা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃত ও বারবার কাউকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করাকে সাইবার বুলিং বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সামাজিক মাধ্যমে কোনো ছবি বা তথ্য একবার প্রকাশিত হলে অনেকেই তা দেখে, ডাউনলোড করে বা শেয়ার করে। ফলে আসল পোস্ট মুছলেও অন্যদের কাছে বা অন্য জায়গায় এর কপি থেকে যায়। এ কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকাশের পর তা মুছে ফেলা অত্যন্ত কঠিন বা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে নুসরাতের সাথে ঘটা ঘটনাটি সাইবার বুলিং। এখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃতভাবে নুসরাতের ছবি এডিট করে অপমানজনক মন্তব্যসহ বারবার ছড়ানো হয়েছে। এটি তাকে সামাজিকভাবে হেয় করেছে এবং মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যা সাইবার বুলিংয়ের বৈশিষ্ট্য। ফেক আইডি ব্যবহার করায় অপরাধীর পরিচয় বের করাও কঠিন হয়েছে। তাই এটি একটি সাইবার অপরাধ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর নুসরাতের মতো সাইবার আক্রমণের শিকার হলে শিক্ষিকা নিচের পরামর্শ দিতে পারেন। ১. বিষয়টি গোপন না রেখে মা-বাবা ও শিক্ষককে জানানো: এতে মানসিক সহায়তা পাওয়া যায় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। ২. প্রমাণ সংগ্রহ: অপমানজনক পোস্ট, মন্তব্য ও ফেক আইডির স্ক্রিনশট রাখতে হবে, কারণ অভিযোগে প্রমাণ প্রয়োজন। ৩. সরকারি সহায়তা নেওয়া: ন্যাশনাল হেল্পলাইন ১০৯ বা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করা এবং প্রমাণসহ www.rab.gov.bd ওয়েবসাইটে অভিযোগ পাঠানো যেতে পারে। ৪. আইনি ব্যবস্থা: নিকটস্থ থানায় বা অনলাইনে (gd.police.gov.bd) জিডি করে জিডির কপিসহ Report to RAB বা Hello CT অ্যাপে তথ্য পাঠানো যায়। ৫. অপরিচিত বা উন্মুক্তভাবে সবার সাথে বিষয়টি শেয়ার না করা, যাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ না হয়। এসব পদক্ষেপ আইনি প্রতিকার ও মানসিক সুরক্ষা দুটোই নিশ্চিত করে এবং অপরাধীকে শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনতে সাহায্য করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও