বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন
একটি দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারিদ্র্যের হার কমেছে, কিন্তু একটি ক্ষুদ্র শ্রেণি নদী ও বন দখল করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছে। রাজধানীতে অপরিকল্পিতভাবে কলকারখানা ও আবাসন গড়ে উঠছে। অন্যদিকে ওই দেশের একটি গ্রামে সরকার কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও কীটনাশক দেয়। কিন্তু অধিক ফলনের আশায় কৃষকরা মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ব্যবহার করায় মাটি ও জলাশয় দূষিত হচ্ছে।
- ক)(1)
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ১৭তম অভীষ্ট কোনটি?
- খ)(2)
আয় ও সম্পদ বৈষম্য টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রথম অংশে টেকসই উন্নয়নের কোন কোন চ্যালেঞ্জ ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের গ্রামটির ঘটনা বিশ্লেষণ করে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ১৭তম অভীষ্ট হলো অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর টেকসই উন্নয়নের মূল কথা হলো কাউকে পিছিয়ে না রেখে সকলের উন্নয়ন। কিন্তু আয় ও সম্পদ বৈষম্য বাড়লে সমাজের একটি অংশ অপরিমিত সম্পদশালী হয় আর অন্যরা পিছিয়ে পড়ে। এতে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে ওঠে এবং মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়ে। এছাড়া ভূমি বা নদী দখলের মতো কর্মকাণ্ডে পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। তাই বৈষম্য টেকসই উন্নয়নের পথে বড় বাধা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের প্রথম অংশে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের নিম্নলিখিত চ্যালেঞ্জগুলো ফুটে উঠেছে:
১. সম্পদ বৈষম্য: দারিদ্র্য কমলেও একটি ক্ষুদ্র শ্রেণি নদী ও বন দখল করে অপরিমিত সম্পদ গড়েছে। ফলে সম্পদ বৈষম্য বাড়ছে এবং সমাজ ভারসাম্যহীন হচ্ছে।
২. পরিবেশের ক্ষতি: নদী ও বন দখলের ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, যা টেকসই উন্নয়নের পরিপন্থী।
৩. অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়ন: রাজধানীতে অপরিকল্পিতভাবে কলকারখানা ও আবাসন গড়ে ওঠা টেকসই উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ।এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা না করলে অভীষ্ট অর্জন কঠিন হবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর অংশীজন হলো কোনো সামাজিক ব্যবস্থার সুফল ভোগকারী গোষ্ঠী। তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
উদ্দীপকে সরকার তার দায়িত্ব পালন করে কৃষকদের সার ও কীটনাশক সরবরাহ করেছে। কিন্তু কৃষকরা সচেতনতার সাথে পরিমিত ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করেননি। ব্যক্তিগত লাভের আশায় অতিরিক্ত ব্যবহার করায় মাটি ও জলাশয় দূষিত হচ্ছে। এতে বোঝা যায়, এক পক্ষের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, সকল পক্ষের দায়িত্ব পালনই অংশীদারিত্ব।
অংশীদারিত্বের গুরুত্ব:
১. সামষ্টিক কল্যাণ: ব্যক্তিগত লাভের বদলে সকলের উপকারের কথা ভেবে কাজ করলে উন্নয়ন পরিবেশবান্ধব হয়।
২. সকলের অন্তর্ভুক্তি: সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হলে কেউ পিছিয়ে থাকে না।
৩. সমন্বয়: পাবলিক ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকলে চ্যালেঞ্জ কমে।
৪. সক্ষমতার ব্যবহার: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় প্রত্যেক দেশ নিজ নিজ সক্ষমতা অনুযায়ী অভীষ্ট অর্জনে এগিয়ে আসতে পারে।অতএব, অংশীদারিত্ব ছাড়া সরকারি উদ্যোগ একা সফল হয় না; তাই এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও