বাংলা ১ম পত্র • যাব আমি তোমার দেশে

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

শিল্পী নাসরিন গ্রামের একটি বিকেলের ছবি আঁকছেন। আকাশে তিনি লাল, হলুদ, বেগুনি নানা রঙের মেঘ এঁকেছেন। নিচে বনের গাছে ফুটে আছে অসংখ্য রঙিন ফুল। ছবির এক কোণে একটি ছোট ছেলে গাছের ডাল ধরে ফুল পাড়ছে, আর পাশে তার বন্ধু চাদর বিছিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ছবিটি দেখে সবাই বলল, “এ যেন জীবন্ত গ্রাম।”

  1. ক)

    কবি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন?

    (1)
  2. খ)

    “ফুল ফুটেছে হাজার রঙের মেঘ-তুলিকার নিখুঁত টানে”—চরণটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ছবির কোন অংশে ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতার কোন চিত্র ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “শিল্পীর তুলিতে আঁকা গ্রামের এই ছবি জসীমউদ্দীনের কবিতার চিত্রধর্মিতার পরিচয় বহন করে।”—‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতা অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কবি পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সন্ধ্যায় আকাশের মেঘে নানা রঙ ছড়িয়ে পড়ে। কবি কল্পনা করেছেন, মেঘ যেন তুলি দিয়ে আঁকা নিখুঁত টানে বাগানে হাজার রঙের ফুল ফুটিয়েছে। এখানে মেঘের রঙ ও ফুলের রঙ মিলে একাকার হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে পল্লির সন্ধ্যাকালীন রঙিন প্রকৃতির সৌন্দর্য প্রকাশ পেয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ছবির আকাশের রঙিন মেঘ ও বনের ফুল এবং ফুল পাড়ার দৃশ্যে কবিতার সাঁঝ-বাগানের ফুল পাড়ার চিত্র ফুটে উঠেছে।

    কবিতায় কবি বলেছেন, বনের পাতার ফাঁকে ফাঁকে সাঁঝ-বাগানে মেঘ-তুলিকার টানে হাজার রঙের ফুল ফুটেছে। তিনি গাছের শাখা দুলিয়ে সেই ফুল পাড়বেন, আর পল্লি-দুলাল উত্তরীয় ছড়িয়ে বনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে। উদ্দীপকে নাসরিন আকাশে নানা রঙের মেঘ এঁকেছেন, নিচে গাছে রঙিন ফুল, একটি ছেলে ডাল ধরে ফুল পাড়ছে এবং তার বন্ধু চাদর বিছিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই দৃশ্য কবিতার ওই চিত্রের হুবহু প্রতিচ্ছবি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। ‘যাব আমি তোমার দেশে’ কবিতায় জসীমউদ্দীন শব্দ দিয়ে এমন সব ছবি এঁকেছেন যা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। উদ্দীপকের শিল্পীর রঙিন ছবি সেই চিত্রধর্মিতারই প্রতিফলন।

    ১. রঙের ব্যবহার: কবিতায় সাঁঝ-বাগানে হাজার রঙের ফুল এবং রক্ত-কমলের উল্লেখ আছে। মেঘকে কবি ‘তুলিকা’ বলেছেন, যা চিত্রকরের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। উদ্দীপকে নাসরিনের আঁকা লাল-হলুদ-বেগুনি মেঘ ও রঙিন ফুল এই বর্ণময়তাকে ধারণ করে।

    ২. জীবন্ত দৃশ্য: কবিতায় গাছের শাখা দুলিয়ে ফুল পাড়া এবং উত্তরীয় ছড়িয়ে দাঁড়ানোর দৃশ্য আছে। উদ্দীপকের ছবিতেও একই কাজ করছে দুই বন্ধু। এতে ছবি যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে।

    ৩. উপমা ও রূপক: ‘মেঘ-কনেরা’, ‘শাখার কুন্তল-ভার’, ‘কুহেলীর কালো কারা’ প্রভৃতি উপমা-রূপক কবিতার ছবিকে আরও গভীর করেছে। উদ্দীপকের ছবি বাহ্যিক রূপ দেখালেও এই কল্পনার গভীরতা নেই।

    সুতরাং উদ্দীপকের ছবি কবিতার চিত্রধর্মিতার একটি অংশ প্রকাশ করলেও কবিতার চিত্রময়তা আরও ব্যাপক ও কল্পনাসমৃদ্ধ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও