ব্যবসায় উদ্যোগ • সফল উদ্যোক্তাদের জীবনী থেকে শিক্ষণীয়
ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন
খুলনার পারভীন আক্তার ১৯৯৮ সালে নিজের সঞ্চয়ের ২০ হাজার টাকায় ঘরে বসে থ্রি-পিস তৈরি করে স্থানীয় দোকানে সরবরাহ শুরু করেন। ২০০২ সালে এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ধার নিয়ে তিনি একটি শোরুম দেন। ২০০৮ সালে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে খোলেন দ্বিতীয় শোরুম এবং ২০১২ সালে একটি বিউটি পার্লার। তিনি দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী নারীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের সুযোগ করে দেন।
- ক)(1)
লুৎফা সানজিদার অনিন্দ্য বুটিক কোথায় অবস্থিত?
- খ)(2)
‘সংগ্রামই লুৎফা সানজিদার জীবনের মূলমন্ত্র’- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
পারভীন আক্তারের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজটি লুৎফা সানজিদার কোন কাজের সাথে মিলে যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
পারভীন আক্তারের ব্যবসায় সম্প্রসারণের ধাপগুলো লুৎফা সানজিদার ব্যবসায় বিস্তারের ধাপের সাথে তুলনা করে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর লুৎফা সানজিদার অনিন্দ্য বুটিক ও পার্লার চট্টগ্রামের হালিশহরে অবস্থিত।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর লুৎফা সানজিদা এসএসসি পরীক্ষার সময়ও সংসারের প্রয়োজনে পার্টটাইম চাকরি করেছেন। শিশুদের পোশাক ও পাঞ্জাবি তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করেছেন এবং ধার নিয়ে শোরুম দিয়েছেন। যখনই সমস্যা এসেছে, তিনি ধৈর্য ও পরিশ্রম দিয়ে তা অতিক্রম করেছেন। তার মতে, অবিরাম চেষ্টা ছাড়া আজকের অবস্থানে আসা সম্ভব হতো না। তাই সংগ্রামই তার জীবনের মূলমন্ত্র।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর পারভীন আক্তারের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজটি লুৎফা সানজিদার সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কাজের সাথে মিলে যায়। লুৎফা সানজিদা সমাজের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেন। তিনি প্রতিবন্ধী নারী, স্বামী পরিত্যক্তা ও নির্যাতিত নারীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করেন। পারভীন আক্তারও দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী নারীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের সুযোগ করে দেন। দুজনের এ কাজের উদ্দেশ্য ও ধরন একই, তাই কাজটি মিলে যায়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর পারভীন আক্তারের ব্যবসায় সম্প্রসারণের ধাপগুলো লুৎফা সানজিদার ব্যবসায় বিস্তারের ধাপের সাথে অনেকাংশে মিলে যায়। ১. শুরু: লুৎফা মাত্র ১৫ হাজার টাকা নিয়ে শিশুদের পোশাক ও পাঞ্জাবি তৈরি করে দোকানে সরবরাহ শুরু করেন। পারভীনও ২০ হাজার টাকায় থ্রি-পিস তৈরি করে দোকানে সরবরাহ শুরু করেছেন। ২. প্রথম শোরুম: লুৎফা ১৯৮৯ সালে এক কাজিনের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার করে চকভিউ মার্কেটে শোরুম দেন। পারভীনও আত্মীয়ের কাছ থেকে ধার নিয়ে প্রথম শোরুম দিয়েছেন। এটি দুজনের জন্যই ঘুরে দাঁড়ানোর ধাপ। ৩. দ্বিতীয় শোরুম: লুৎফা ১৯৯৫ সালে মাইডাস থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে দ্বিতীয় শোরুম দেন। পারভীনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণে দ্বিতীয় শোরুম খুলেছেন। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ধার থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের দিকে যাওয়ার ধারা দুজনের মধ্যেই এক। ৪. নতুন খাতে বিনিয়োগ: লুৎফা ২০০৪ সালে বিউটি পার্লার দেন, পারভীন দেন ২০১২ সালে। দুজনই বুটিক বা পোশাকের পাশাপাশি সম্পর্কিত নতুন সেবায় ব্যবসায় বাড়িয়েছেন। ৫. পার্থক্য: লুৎফা কোটিপতির তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, উদ্দীপকে পারভীনের তেমন কোনো তথ্য নেই। এছাড়া লুৎফার প্রতিটি ধাপ পারভীনের তুলনায় আগের সময়ে হয়েছে। সুতরাং, ধাপে ধাপে পুঁজি সংগ্রহ ও ব্যবসায় বিস্তারের দিক থেকে দুজনের পথ প্রায় এক, যদিও সময় ও সাফল্যের মাত্রায় পার্থক্য আছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও