পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
একটি সিটি করপোরেশন রাস্তা মেরামতের দরপত্র ও কাজের অগ্রগতির তথ্য নিয়মিত তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। নাগরিকরা সিটি করপোরেশনের ফেসবুক পেজে ভাঙা রাস্তা ও জলাবদ্ধতার অভিযোগ জানায় এবং কর্তৃপক্ষ দ্রুত সাড়া দেয়। ঠিকাদারদের কাজের মান ও ব্যয় সবার জানা থাকায় অনিয়ম অনেক কমেছে। এতে নাগরিকদের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বেড়েছে।
- ক)(1)
ফেসবুক কী?
- খ)(2)
ই-গভর্নেন্স নাগরিকদের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে কীভাবে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ই-গভর্নেন্সের কোন কোন সুবিধা ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ই-গভর্নেন্স সুশাসনের সহায়ক শক্তি— উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে নাগরিকরা সরকারি তথ্য পাওয়ার অধিকার ভোগ করে। ই-গভর্নেন্সে সরকারি তথ্য ফাইলবন্দি থাকে না। নাগরিকরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে তথ্য জানতে ও ডাউনলোড করতে পারে। এভাবে ই-গভর্নেন্স নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বাস্তবে নিশ্চিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস এবং সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির সুবিধা ফুটে উঠেছে।
তথ্যের অবাধ প্রবাহের ফলে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ও কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা বাড়ে। সিটি করপোরেশন দরপত্র ও কাজের অগ্রগতি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করায় তা সবার কাছে উন্মুক্ত হয়েছে। সব তথ্য জনগণ জানতে পারায় ঠিকাদারদের অনিয়ম কমেছে, যা দুর্নীতি হ্রাসের প্রমাণ। নাগরিকরা ফেসবুকের মাধ্যমে সরকারি কর্তৃপক্ষকে তাদের দাবি জানাতে পারছে এবং কর্তৃপক্ষ সাড়া দিচ্ছে, যা সরকার ও নাগরিকদের সম্পর্ক জোরদার করছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ই-গভর্নেন্স সুশাসনের সহায়ক শক্তি— উক্তিটি যথার্থ। সুশাসন বলতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনগণের অংশগ্রহণভিত্তিক শাসনব্যবস্থা বোঝায়। উদ্দীপকের সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম এর প্রমাণ বহন করে।
১. স্বচ্ছতা: সিটি করপোরেশন দরপত্র ও অগ্রগতির তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করায় জনগণ সবকিছু জানতে পারছে। সুশাসনের জন্য সরকারি কাজে স্বচ্ছতা অপরিহার্য।
২. জবাবদিহিতা: নাগরিকরা ফেসবুক পেজে অভিযোগ জানালে কর্তৃপক্ষ দ্রুত সাড়া দেয়। এতে কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য হয়।
৩. দুর্নীতি হ্রাস: ঠিকাদারদের কাজের মান ও ব্যয় সবার জানা থাকায় অনিয়ম কমেছে।
৪. জনঅংশগ্রহণ ও আস্থা: নাগরিকরা সরাসরি মতামত দিতে পারায় প্রশাসনের প্রতি আস্থা বেড়েছে, যা সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।সুতরাং ই-গভর্নেন্স সরকারি কাজে গতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও