বাংলা ১ম পত্র • লাইব্রেরি
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
নওগাঁর এক গ্রামের ‘আলোকবর্তিকা পাঠাগার’-এ নবম শ্রেণির ছাত্র সাব্বির প্রতিদিন বিকেলে বই পড়তে যায়। সে সেখানে বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী পড়ে, আবার কবিদের কবিতার বইও উল্টে দেখে। বই পড়তে পড়তে তার মনে হয়, যাঁদের সঙ্গে কখনো দেখা হবে না, তাঁরাই যেন কাছে বসে তার সঙ্গে কথা বলছেন। এই পাঠাগার তাকে জ্ঞানের নতুন নতুন দিগন্তের সন্ধান দিয়েছে।
- ক)(1)
লাইব্রেরির মধ্যে আমরা কীসের উপরে দাঁড়িয়ে আছি বলে লেখক বলেছেন?
- খ)(2)
“মানুষ আপনার পরিত্রাণকে এতটুকু জায়গার মধ্যে বাঁধিয়া রাখিয়াছে।”—কথাটি বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের সাব্বিরের অনুভূতির সঙ্গে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের সম্পূর্ণ ভাব প্রতিফলিত হয়নি।”—বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর লেখক বলেছেন, লাইব্রেরির মধ্যে আমরা সহস্র পথের চৌমাথার উপরে দাঁড়িয়ে আছি।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর মানুষ নিজের মুক্তি ও জ্ঞানের সমস্ত সাধনা বইয়ের মাধ্যমে লাইব্রেরির ছোট পরিসরে ধরে রেখেছে। বিশাল জ্ঞানজগৎ, মহাপুরুষদের বাণী ও মানবহৃদয়ের অনুভূতি বইয়ের পাতায় সংরক্ষিত আছে। এ জ্ঞান মানুষকে অজ্ঞতার বন্ধন থেকে মুক্তি দেয়। লেখক এখানে বুঝিয়েছেন, সীমিত জায়গার লাইব্রেরিতেই মানুষ অসীম জ্ঞানের সন্ধান পেতে পারে.
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের সাব্বিরের অনুভূতির সঙ্গে ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের বইয়ের মাধ্যমে অতীতের মহাপুরুষদের সান্নিধ্য লাভের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, মহাপুরুষদের কণ্ঠ সহস্র ভাষায় সহস্র বৎসরের মধ্য দিয়ে লাইব্রেরিতে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বই অতীতকে বর্তমানে বন্দি করে এবং কালসমুদ্রের ওপর সাঁকো তৈরি করে। উদ্দীপকে সাব্বির জগদীশচন্দ্র বসুর জীবনী পড়তে গিয়ে অনুভব করে, তিনি যেন কাছে বসে কথা বলছেন। কাল ও দূরত্বের ব্যবধান ঘুচিয়ে বই তাকে মহান মানুষদের কাছে নিয়ে গেছে। এই অনুভূতিই প্রবন্ধের উক্ত দিকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি যথার্থ। ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধে লাইব্রেরির বহুমাত্রিক গুরুত্বের পাশাপাশি বাঙালির প্রতি লেখকের আহ্বানও রয়েছে। উদ্দীপকে এর একটি অংশমাত্র প্রতিফলিত হয়েছে। ১. প্রতিফলিত দিক: প্রবন্ধে লাইব্রেরিকে জ্ঞানের আধার ও অতীতের সঙ্গে সেতুবন্ধন হিসেবে দেখানো হয়েছে। উদ্দীপকে সাব্বির পাঠাগারে মহান ব্যক্তিদের জীবনী পড়ে জ্ঞান লাভ করে এবং অতীতের মানুষকে কাছে পায়। ২. নতুন দিগন্ত: প্রবন্ধে বলা হয়েছে, লাইব্রেরির সহস্র পথের কোনোটি সমুদ্রে, কোনোটি শিখরে যায়। উদ্দীপকেও পাঠাগার সাব্বিরকে জ্ঞানের নতুন দিগন্ত দেখিয়েছে। ৩. অপ্রতিফলিত দিক: প্রবন্ধে লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, জগতের একতান সংগীতে বঙ্গদেশ কেন নিস্তব্ধ থাকবে। তিনি বাঙালিকে আপন ভাষায় বিশ্বসভায় কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন। উদ্দীপকে এই জাতীয় আত্মপ্রকাশের আহ্বান নেই। ৪. বাদ-প্রতিবাদের সহাবস্থান: প্রবন্ধের এই দিকটিও উদ্দীপকে অনুপস্থিত। সুতরাং উদ্দীপকে প্রবন্ধের আংশিক ভাব প্রকাশ পেয়েছে, সম্পূর্ণ ভাব নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও