জীববিজ্ঞান • কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান প্রশ্ন

একটি কোষের মেটাফেজ দশায় চারটি ক্রোমোজোম পর্যবেক্ষণ করে নিচের তথ্য পাওয়া গেল:

ক্রোমোজোমসেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান
Pঠিক মাঝখানে
Qমাঝখান থেকে একটু পাশে
Rপ্রান্তের খুব নিকটে
Sএকদম প্রান্তে
  1. ক)

    সেন্ট্রোমিয়ার কী?

    (1)
  2. খ)

    মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমকে মেটাফেজ দশায় চার বাহুবিশিষ্ট মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ক্রোমোজোমগুলোকে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে শনাক্ত করে নাম লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    কোষটি মাইটোসিস বিভাজনে অ্যানাফেজ দশায় পৌঁছালে উদ্দীপকের চারটি ক্রোমোজোমের কী পরিবর্তন ঘটবে এবং তাদের আকৃতি কেমন দেখাবে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ক্রোমোজোমের যে সংকীর্ণ অংশে দুটি সিস্টার ক্রোমাটিড পরস্পর যুক্ত থাকে এবং যার সাথে স্পিন্ডল তন্তু সংযুক্ত হয়, তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মেটাফেজ দশায় প্রতিটি ক্রোমোজোম দুটি সিস্টার ক্রোমাটিড নিয়ে গঠিত থাকে। মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ার ঠিক মাঝখানে থাকায় ক্রোমাটিড দুটি দৈর্ঘ্যের মাঝখানে যুক্ত থাকে। ফলে সেন্ট্রোমিয়ার থেকে প্রতিটি ক্রোমাটিডের দুটি করে মোট চারটি সমান দৈর্ঘ্যের বাহু বের হয়ে আছে বলে মনে হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমগুলো নিম্নরূপ:
    ১. P: সেন্ট্রোমিয়ার ঠিক মাঝখানে থাকায় এটি মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম। এর সব বাহুর দৈর্ঘ্য সমান।
    ২. Q: সেন্ট্রোমিয়ার মাঝখান থেকে একটু পাশে থাকায় এটি সাবমেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম। এর বাহু অসমান।
    ৩. R: সেন্ট্রোমিয়ার প্রান্তের খুব নিকটে থাকায় এটি অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম।
    ৪. S: সেন্ট্রোমিয়ার একদম প্রান্তে থাকায় এটি টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর অ্যানাফেজ দশায় সেন্ট্রোমিয়ার বরাবর প্রতিটি ক্রোমোজোম দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, যাতে প্রতিটি ভাগে কেবল একটি ক্রোমাটিড থাকে। প্রতিটি ক্রোমাটিড সেন্ট্রোমিয়ারের নিজের অংশ অর্ধেকটুকু সাথে নিয়ে বিপরীত মেরুর দিকে সরে যায়। সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে এদের আকৃতি ভিন্ন হয়, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
    ১. P (মেটাসেন্ট্রিক): ক্রোমাটিডের ঠিক মাঝখানে সেন্ট্রোমিয়ার থাকায় প্রতিটি ক্রোমাটিড ইংরেজি V বর্ণের মতো দেখায়।
    ২. Q (সাবমেটাসেন্ট্রিক): মাঝখান থেকে একটু পাশে সেন্ট্রোমিয়ার থাকায় ক্রোমাটিড ইংরেজি L বর্ণের মতো দেখায়।
    ৩. R (অ্যাক্রোসেন্ট্রিক): প্রান্তের খুব কাছে সেন্ট্রোমিয়ার থাকায় ক্রোমাটিড ইংরেজি J বর্ণের মতো দেখায়।
    ৪. S (টেলোসেন্ট্রিক): একদম প্রান্তে সেন্ট্রোমিয়ার থাকায় ক্রোমাটিড ইংরেজি I বর্ণের মতো দেখায়।
    মেটাফেজে যেখানে ক্রোমোজোমে দুটি ক্রোমাটিড একত্রে থাকে, অ্যানাফেজে সেখানে প্রতিটি মেরুতে একক ক্রোমাটিড যায়। ফলে চারটি ক্রোমোজোম থেকে প্রতি মেরুতে চারটি করে ক্রোমাটিড পৌঁছায় এবং অপত্য কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও