জীববিজ্ঞান • খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক
জীববিজ্ঞান প্রশ্ন
করিম ও সেলিম দুই বন্ধু। করিম প্রতিদিনের খাবারে মাছ, ডিম ও দুধ রাখে। অন্যদিকে সেলিমের খাবারের তালিকায় থাকে মূলত ডাল, চিনাবাদাম ও শিমের বিচি। সেলিমের ধারণা, তার খাবারের আমিষ করিমের আমিষের চেয়ে কম পুষ্টিকর।
- ক)(1)
আমিষে শতকরা কত ভাগ নাইট্রোজেন থাকে?
- খ)(2)
পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
করিমের খাবারের আমিষ কোন ধরনের? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে সেলিমের ধারণাটি কতটা যথার্থ? উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ আমিষের তুলনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর আমিষ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। এতে সামান্য সালফার, ফসফরাস ও আয়রনও থাকে। শর্করা ও স্নেহ পদার্থে নাইট্রোজেন থাকে না। শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে। এ কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর করিমের খাবারের আমিষ প্রাণিজ আমিষ।
উৎস অনুযায়ী মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষের উদাহরণ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায়। করিমের খাদ্য তালিকার মাছ, ডিম ও দুধ সবই প্রাণিজ আমিষের উৎস। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর সেলিমের খাবারের আমিষ উদ্ভিজ্জ আমিষ; ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বিচি এর উদাহরণ।
একসময় ধারণা করা হতো, উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সব কয়টি অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে না বলে তা প্রাণিজ আমিষের চেয়ে কম পুষ্টিকর। এই ধারণাকেই সেলিম অনুসরণ করছে।
কিন্তু বর্তমানে জানা গেছে, অনেক উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো অ্যাসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে। তাই সব উদ্ভিজ্জ আমিষকে কম পুষ্টিকর বলা যায় না। উভয় ধরনের আমিষই দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে।
অতএব, সেলিমের ধারণাটি পুরোপুরি যথার্থ নয়। তবে সব উদ্ভিজ্জ আমিষে সবগুলো অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে না, তাই বিভিন্ন ধরনের আমিষ মিলিয়ে খাওয়াই ভালো।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও