ভূগোল ২য় পত্র • পরিবহন ও যোগাযোগ

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

বরিশালের ব্যবসায়ী মিজান সাহেব ঢাকায় পণ্য পাঠান। পণ্যবাহী ট্রাককে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাটে ফেরির জন্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, ফলে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে। তিনি শুনেছেন, ওই স্থানে একটি বড় সেতু নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

  1. ক)

    বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়কসেতুর নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসড়কটির গতিপথ বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের নির্মাণাধীন সেতুটি চালু হলে মিজান সাহেবসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়কসেতু হলো বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক রাজধানী ঢাকাকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত করেছে। প্রায় ২৭৮ কি.মি দীর্ঘ এই সড়ক কুমিল্লা ও ফেনী হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম থেকে এর শাখা কক্সবাজার, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি পর্যন্ত গেছে। এটি দেশের সর্বাধিক ব্যস্ত জনপথ। তাই একে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসড়কটি হলো ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক। এই মহাসড়ক ঢাকা থেকে শুরু হয়ে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাট হয়ে ফরিদপুর ও শরীয়তপুর জেলার মধ্য দিয়ে বরিশাল পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি দেশের অন্যতম আধুনিক সড়কপথ। মাওয়ায় পদ্মা নদী পার হতে হয় এবং সেখানে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল। এই সড়কপথ ঢাকার সাথে বরিশালসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের নির্মাণাধীন সেতুটি হলো মাওয়ায় পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু। এটি চালু হলে মিজান সাহেবসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ওপর নিচের প্রভাবগুলো পড়বে। ১. সময়ের সাশ্রয়: ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না, ফলে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যে যাতায়াতে সময় কম লাগবে। ২. ব্যয় হ্রাস: পণ্য পরিবহনের সময় কমলে খরচও কমবে, যা মিজান সাহেবের মতো ব্যবসায়ীদের মুনাফা বাড়াবে। ৩. যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত: বরিশালসহ দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর সাথে রাজধানীর যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত হয়ে উঠবে। ৪. অর্থনৈতিক বিকাশ: নদীবহুল ও এতদিন অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও শিল্পপণ্য সহজে রাজধানীর বাজারে পৌঁছাবে, ফলে ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। সুতরাং সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও