বাংলা ১ম পত্র • হামদ
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
বিজ্ঞান শিক্ষক জনাব হাসান ক্লাসে বললেন, “পৃথিবী সৃষ্টির মূলে রয়েছে চারটি উপাদান—আগুন, বাতাস, পানি ও মাটি। এ উপাদানগুলো ছাড়া কোনো প্রাণ বাঁচতে পারে না। মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ চমকায়, সমুদ্রের ঝিনুকে মুক্তা জন্মায়, গাছে গাছে ফল ধরে।” শুনে ছাত্র শাহেদ বলল, “স্যার, এ সবই কি আপনা-আপনি ঘটে?”
- ক)(1)
‘দিবাকর’ শব্দের অর্থ কী?
- খ)(2)
‘সৃজিয়া মানব-রূপ করিল মহৎ’—চরণটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদান ও সৃষ্টিগুলোর কোন কোনটি ‘হামদ’ কবিতাংশে বর্ণিত হয়েছে? কবিতাংশের আলোকে উল্লেখ করো।
- ঘ)(4)
শাহেদের প্রশ্নের জবাবে ‘হামদ’ কবিতাংশের আলোকে তুমি কী উত্তর দেবে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘দিবাকর’ শব্দের অর্থ সূর্য।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর আলোচ্য চরণে কবি বুঝিয়েছেন, স্রষ্টা সৃষ্টিজগতের সবকিছুর মধ্যে মানুষকে সবচেয়ে মর্যাদাবান করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি মানুষকে বিশেষ রূপ ও শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। মানুষের ভোগ ও জীবনধারণের জন্য অন্ন প্রভৃতি নানা উপকরণও দিয়েছেন। তাই স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যে মানুষই শ্রেষ্ঠ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে জনাব হাসান আগুন, বাতাস, পানি ও মাটি, মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ, ঝিনুকে মুক্তা এবং গাছের ফলের কথা বলেছেন। ‘হামদ’ কবিতাংশে এর প্রত্যেকটিরই উল্লেখ আছে। ‘সৃজিলেক আগুন পবন জল ক্ষিতি’ চরণে আগুন, বাতাস, পানি ও মাটির কথা এসেছে। ‘করিল মেঘের মাঝে বিদ্যুৎ সঞ্চার’ চরণে মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ সৃষ্টির কথা আছে। ‘সৃজিল সিপিতে মুক্তা রত্ন বহু মূল’ চরণে ঝিনুকে মূল্যবান মুক্তার কথা বলা হয়েছে। আর ‘সৃজিলেক বন তরু ফল নানা স্বাদ’ চরণে বন, গাছ ও নানা স্বাদের ফলের উল্লেখ আছে। কবি এ সবকিছুর স্রষ্টা হিসেবে আল্লাহকে চিহ্নিত করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর শাহেদের প্রশ্নের জবাবে আমি বলব, এসব আপনা-আপনি ঘটে না; এর পেছনে একজন স্রষ্টা আছেন। ‘হামদ’ কবিতাংশ এ কথারই সাক্ষ্য দেয়। ১. উপাদানের সৃষ্টি: কবি বলেছেন, যে প্রভু জীব সৃষ্টির জন্য সংসার স্থাপন করেছেন, তিনিই আগুন, পবন, জল ও ক্ষিতি সৃষ্টি করেছেন। উদ্দীপকের চার উপাদানও তাঁরই সৃষ্টি। ২. শৃঙ্খলার প্রমাণ: তিনিই সূর্য, চাঁদ, দিনরাত, শীত-গ্রীষ্ম, রৌদ্র-ছায়া সৃষ্টি করেছেন। নিয়ম মেনে এসব ঘটে বলেই জীবজগৎ টিকে আছে। ৩. মানুষের জন্য আয়োজন: মেঘে বিদ্যুৎ, ঝিনুকে মুক্তা, গাছে ফল, রোগের ঔষধ ও অন্ন—সবই মানুষের উপকারের জন্য দেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পিত আয়োজন কাকতালীয় হতে পারে না। ৪. উদ্দেশ্য: কবির মতে স্রষ্টা নিজেকে প্রকাশের জন্য জীবন ও ভয় দেখানোর জন্য মরণ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, কবিতাংশের আলোকে বলা যায়, সৃষ্টিজগতের সবকিছু স্রষ্টার ইচ্ছায় ও পরিকল্পনায় ঘটে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও