পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
তানিয়া দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। কলেজ থেকে ফেরার পথে তার মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। থানায় না গিয়ে সে অনলাইনে অভিযোগ জানায়। কিছুক্ষণ পর পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিষয়টি জানিয়ে পরবর্তী করণীয় বলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে CCTV ক্যামেরা বসানোয় অপরাধীদের শনাক্ত করাও সহজ হচ্ছে।
- ক)(1)
CCTV-এর পূর্ণরূপ লেখ।
- খ)(2)
ই-পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হলে কী ঘটবে? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে তানিয়া সরকারের কোন ব্যবস্থার সুবিধা পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের মতো উদ্যোগ গ্রহণ বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা সহায়ক? তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর CCTV-এর পূর্ণরূপ হলো Closed Circuit Television।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ই-পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হলে দেশের প্রতিদিনের আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। এ ব্যবস্থায় নাগরিকরা থানায় না গিয়েও অনলাইনে অভিযোগ ও তথ্য জানাতে পারবে। অপরাধের তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষিত থাকায় পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা ও গতি আসবে। ফলে হয়রানি কমবে এবং জনগণের পুলিশি সেবা পাওয়া সহজ হবে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে তানিয়া ই-গভর্নেন্সের অন্তর্গত ই-পুলিশ সেবার সুবিধা পেয়েছে।
ই-গভর্নেন্স হলো তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারি তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা। এর একটি ক্ষেত্র হলো ই-পুলিশ, যেখানে পুলিশি সহায়তা অনলাইনে পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে তানিয়া থানায় না গিয়ে অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছে এবং পুলিশের কাছ থেকে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানতে পেরেছে। এতে তার সময়, অর্থ ও শ্রম বেঁচেছে এবং সে কোনো হয়রানির শিকার হয়নি। তাই বলা যায়, সে ই-পুলিশ সেবার সুবিধা পেয়েছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে ই-পুলিশ সেবা ও CCTV ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবার চিত্র ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্সের অংশ হিসেবে এরূপ উদ্যোগ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
১. স্বচ্ছতা: অভিযোগ ও তার নিষ্পত্তি অনলাইনে নথিবদ্ধ থাকলে পুলিশের কাজ জনগণের কাছে স্বচ্ছ হয়।
২. জবাবদিহিতা: প্রতিটি অভিযোগের হিসাব সংরক্ষিত থাকায় দায়িত্বে অবহেলা করলে কর্মকর্তাকে জবাব দিতে হয়।
৩. দুর্নীতি হ্রাস: থানায় সরাসরি যেতে না হওয়ায় ঘুষ ও হয়রানির সুযোগ কমে।
৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষা: CCTV ও অনলাইন তথ্যের মাধ্যমে অপরাধ শনাক্ত ও দমন সহজ হয়, ফলে নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বাড়ে।
৫. জনগণের অংশগ্রহণ: নাগরিকরা সহজে তথ্য ও অভিযোগ জানাতে পারে বলে শাসনকাজে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ে।
তবে দক্ষ জনবল, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট এবং তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে পূর্ণ সুফল পাওয়া কঠিন। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করা গেলে এরূপ উদ্যোগ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত সহায়ক হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও